সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে আজ স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের মিশনে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। এক গোল পিছিয়ে পড়ার পর বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে ঋতুপর্ণা চাকমার গোলে স্বস্তি নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করেছে। ১-১ সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে দুই দল।
গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফাইনালের আগে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার। নেপালের বিপক্ষে খেলা একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন সুরভী আকন্দ প্রীতি ও উমহেলা মারমা। তাদের জায়গায় দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।
শুরু থেকেই ভারতের বিপক্ষে সমানতালে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের খেলা দেখা গেছে। বরং বাংলাদেশই তুলনামূলক বেশি গোলের সুযোগ তৈরি করেছে বললে অমূলক হবে না। গ্রুপ পর্বে দেখা দেওয়া অসহায়ত্বের ছাপ এদিন ছিল না।
১২ মিনিটে প্রথম বড় সুযোগ পায় বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণার ক্রসে তহুরা পা ছোঁয়াতে পারেননি। দুই মিনিট পর বক্সে ঢুকে ফাঁকায় বল পেলেও লক্ষ্যে ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি তহুরা। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের ট্যাকলের মুখে বল বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর ভারতের একটি প্রচেষ্টাও গোল হয়ে ওঠেনি; বল পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ভারত আরও একবার আক্রমণ গড়ে তুললেও মিলির বাধা পেরোতে পারেনি। ৪১ মিনিটে তহুরার নেওয়া শট অল্পের জন্য দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
৪২ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। পেয়ারিজাদার গোলে লিড পায় স্বাগতিকরা। একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলকিপারের ওপর দিয়ে বল জালে জড়ান ১০ নম্বর জার্সিধারী ফুটবলার।
দুই মিনিট পর আনিকার বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন ভারতের গোলকিপার। তবে যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণা চাকমার দারুণ এক গোলে ম্যাচে ফিরে আসে দলটি। তহুরার চমৎকার পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে গোলকিপারের পাশ দিয়ে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠান ঋতুপর্ণা।