ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় চিকিৎসাসেবা

UttorbongoBD
June 7, 2026 11:40 am
Link Copied!


শেরপুরে প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় শেরপুরের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শনিবার (৬ জুন) রাত ১০টার দিকে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি ও মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সচল রাখা হয়।

জানা গেছে, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। রোগী ও তাদের স্বজনরা এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) রাত ১০টার দিকে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে থাকে। এতে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সীমিত সুবিধার মধ্যেও সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছিল না বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী জসিম বলেন, ‘আমরা চিকিৎসা নিতে নকলা হাসপাতালে এসেছি, কিন্তু এখানে এসে দেখি ভয়াবহ অবস্থা। অনেক সময় ধরে বিদ্যুৎ নেই, বাথরুমে পানিও নেই। অন্ধকারে বসে থাকতে হচ্ছে, দেখার মতো কেউ নেই।’

আরেক রোগী বলেন, ‘হাসপাতালে খাবারের ব্যবস্থা নেই, বিদ্যুৎ থাকে না। চিকিৎসা নিতে এসে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছি। অনেকক্ষণ ধরে বিদ্যুৎ নেই।’

হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাগর সাহা বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। মোমবাতি জ্বালিয়ে জরুরি বিভাগে রোগীদের সাপোর্ট দিতে হয়েছে। এখনও ইমারজেন্সিতে বিদ্যুৎ নেই। তিনতলায় পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ খুবই দুর্বল। ভোল্টেজ ঠিক নেই। ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। অনেক রোগী মেঝেতেও অবস্থান করছেন।’

নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘এটি হয়তো লোডশেডিংয়ের কারণে হয়েছে।’ বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের আইপিএস ও জেনারেটর দুটোই নষ্ট।’

বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অফিস টাইমে যোগাযোগ করতে বলে ফোন কেটে দেন।

শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। জেনারেটর ঠিক আছে কিনা তাও নিশ্চিত নই। বিষয়টি দেখা হচ্ছে, খুব শিগগিরই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।’

পরে মধ্যরাতে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের হস্তক্ষেপে তিন ঘণ্টা পর রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে। এ সময় বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (আইপিএস/জেনারেটর) সচল করার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html