ঢাকাSaturday , 27 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক


June 27, 2026 6:45 pm
Link Copied!


খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, জীবিকা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশকে মোট ১ দশমিক ১ বিলিয়ন (১১০ কোটি) ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বৈশ্বিক বাজারে সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

তিনি বলেন, এই অর্থায়নের মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার ও জীবিকা সুরক্ষা এবং জরুরি সরকারি সেবা অব্যাহত রাখতে সহায়তা দেওয়া হবে।

এর মধ্যে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়িত হবে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের আমন ও ২০২৬-২৭ সালের বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে অর্থায়ন করা হবে। বিশ্বব্যাংক ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানির অর্থায়ন করবে; যার প্রায় অর্ধেকই ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ধান উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সহায়তা মিলবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। ফলে সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্যনিরাপত্তা যেমন ঝুঁকির মুখে পড়বে, তেমনই দারিদ্র্য ও বেকারত্বও বাড়তে পারে।

এছাড়া ৭১৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের মাধ্যমে সংকটকালীন জরুরি ব্যয়ে সহায়তা দেওয়া হবে। এই তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা ও জীবিকা পুনরুদ্ধারে অর্থায়ন করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং মানুষের আয় স্থিতিশীল রাখতেও এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখার পাশাপাশি খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং নিরাপদ পানির মতো অপরিহার্য সেবা অব্যাহত রাখার জন্যও অর্থায়ন করা হবে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এ প্রকল্পের অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যেই ছাড় করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট মোকাবিলা ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ প্রয়োজনের সময় দ্রুত অর্থ পাবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করা হবে। এর ফলে আকস্মিক অর্থনৈতিক ধাক্কার প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মসংস্থানকে সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে।





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html