ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চার দশক ধরে ‘লাভার্স আইস’ সংগ্রহ করেন যে দম্পতি


August 15, 2026 8:35 am
Link Copied!


বোস্টনের এক অ্যান্টিক শোতে কেনাকাটার সময় ডেভিড ও নান স্কিয়ার দম্পতির নজর কাড়ে নীল এনামেল, হিরে ও মুক্তো দিয়ে সাজানো একটি ডিম্বাকৃতির আংটি। পেশায় চোখের চিকিৎসক ডেভিড তার চিকিৎসাজীবনে বহু চোখ দেখলেও এই আংটিতে আঁকা ধূসর রঙের পুতুলটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের। চার দশক আগের সেই একটি কেনাকাটা থেকেই শুরু; আজ এই দম্পতির সংগ্রহে রয়েছে ১৫৮টি রহস্যময় মিনিয়েচার, যাকে বলা হয় ‘লাভার্স আইস’ বা প্রেমিকের চোখ।

আঠারো শতকের শেষে (১৭৯০-১৮৩০) ব্রিটেনে এই অলংকার চর্চার প্রচলন ঘটে। তৎকালীন ওয়েলসের রাজপুত্র এবং রাজা চতুর্থ জর্জ গোপনে তার প্রেমিকা মারিয়া ফিটজারবার্টকে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে নিজের চোখের একটি জলরঙ চিত্র পাঠান। এ ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই অভিজাত সমাজে চোখের অনুচিত্র অলংকারে সাজিয়ে উপহার দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। নিউ ইয়র্কের অ্যান্টিক ডিলার এডিথ ওয়েবার এই দম্পতিকে প্রথম আংটিটি বিক্রি করার সময় একটি সতর্কবার্তা দেন, আংটি পরা অবস্থায় হাত ধোয়া যাবে না, কারণ এতে ছবি ধুয়ে যেতে পারে।

সাধারণত বিচ্ছেদ, শোক, বিবাহ কিংবা বাগদানের স্মারক হিসেবে এসব আংটি, ব্রোচ ও ব্রেসলেট উপহার দেওয়া হতো। অনেক অলংকারে প্রিয়জনের চুলের গোছা কিংবা চোখের বদলে ঠোঁটের ছবিও রাখা হতো। বেশিরভাগ ছবির কোনও নাম বা পরিচয় থাকত না। ডেভিড স্কিয়ার বলেন, ছবিতে কে আছেন তা না জানাটাই এর আসল আকর্ষণ, এগুলো বেনামে তৈরির জন্যই ডিজাইন করা হয়েছিল।

চার দশক ধরে ‘লাভার্স আইস’ সংগ্রহ করেন যে দম্পতি

আর্ট হিস্টোরিয়ান ও বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সংগৃহীত এই বিরল শিল্পকর্মগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছেন স্কিয়ার দম্পতি, যার নতুন সংস্করণ আসছে আগামী বছর। নান স্কিয়ার বলেন, প্রতিটি অলংকারই এক একটি প্রেমের গল্প। কে এই মানুষ ছিলেন আমরা জানি না, তবে এটি দুজন মানুষের ভালোবাসার কথা বলে।

সূত্র: সিএনএন





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html