ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমীন: জীবনের বিশেষ কোনও সংজ্ঞা নেই


September 4, 2026 10:50 am
Link Copied!


উপমহাদেশের গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিন শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)। ৭২ পেরিয়ে ৭৩ বছরে পা দিয়েছেন তিনি। ১৯৫৪ সালের আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন এই কিংবদন্তি।

সাবিনা ইয়াসমীনের বাবা লুতফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মা বেগম মৌলুদা খাতুন। পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরায়।

তার পাঁচ বোনের মাঝে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন ফরিদা, ফৌজিয়া, নীলুফার ও সাবিনা। তার আরেক বোন নাজমা ইয়াসমিন।

সাবিনা ইয়াসমীন তার বাবার চাকরির সূত্রে নারায়ণগঞ্জে বেড়ে ওঠেন। শৈশব থেকে গানের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

দেশপ্রেমের জনপ্রিয় গানগুলোর বেশিরভাগই সাবিনা ইয়াসমীনের দরদ কণ্ঠের। ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’, ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’, ‘ও আমার বাংলা মা’, ‘মাঝি নাও ছাড়িয়া দে’, ‘সুন্দর সুবর্ণ’ ও ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ গানগুলো শোনেননি এমন শ্রোতার সংখ্যা খুবই কম।

একুশে পদক (১৯৮৪), স্বাধীনতা পদক (১৯৯৬) রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্বীকৃতি তার ঝুলিতে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন রেকর্ডসংখ্যক বার।

জন্মদিনে সাবিনার উপলব্ধি

আল্লাহর শুকরিয়া, তিনি এখনও আমাকে সুস্থ রেখেছেন। এখন পর্যন্ত গানের সঙ্গে থাকতে পারছি। সবার ভালোবাসা পেয়ে আসছি, সবাই আমাকে ভালোবাসেন। মনে হয় এটিই জীবনের সুন্দর পাওয়া।

জীবনটাকে যেভাবে দেখেন

এক সাক্ষাৎকারে সাবিনা বলেন, ‘আমার কাছে জীবনের বিশেষ কোনও সংজ্ঞা নেই। সত্যি বলতে আমি এখনও শিখছি। গুরুজনদের কাছ থেকে যেমন শিখি, অসভ্যদের কাছ থেকেও শিখি। গুরুজন ও শিক্ষকরা যা শিখিয়েছেন সেভাবে চলার চেষ্টা করছি। প্রতিনিয়ত শেখার মধ্যেই আছি।’

শুধু গান গেয়ে পরিচয়

সাবিনা ইয়াসমীনের কণ্ঠে গান শুনে বেড়ে উঠেছে কয়েক প্রজন্ম। চলচ্চিত্রের পর্দায় তার কণ্ঠ যেমন দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে, তেমনই আধুনিক ও দেশাত্মবোধক গানেও তৈরি করেছেন নিজের আলাদা পরিচয়। জন্মদিনে সেই দীর্ঘ পথচলার গল্পই শোনাবেন তিনি।

কীভাবে সংগীতজগতে তার পথচলা শুরু হলো, কেমন ছিল তার ছেলেবেলা, শিল্পী হয়ে ওঠার পেছনে বাবা-মায়ের ভূমিকা– এমন নানা বিষয় উঠে এসেছে ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ অনুষ্ঠানের বিশেষ আয়োজনে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন আবদুর রহমান। শুক্রবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ বিশেষ পর্বটি।

মঞ্চে প্রথম এবং প্লেব্যাক

মাত্র সাত বছর বয়সে প্রথমবার মঞ্চে গান করেছি। ১৯৬২ সালে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের জন্য গান গেয়ে আমার সংগীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়। একই বছর এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে গান করলাম।

এছাড়া ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ও নুরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেছি।

নতুন প্রজন্মর গান

এই প্রতিবেদকের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘নতুনদের অনেকেই ভালো গান করছে। কেউ কেউ ভালো সুর-সংগীতও করছে। তবে এদের সঠিক গাইডলাইন নেই। যার কারণে অনেকে আবার হারিয়ে যাচ্ছে।’

শিল্পীর রেওয়াজ

একজন শিল্পীর জন্য রেওয়াজ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রেওয়াজ করলে কণ্ঠ সুস্থ থাকে, সুন্দর থাকে। একজন শিল্পীর সম্পদ হলো তার কণ্ঠ। যদি কেউ সেটির পরিচর্যা না করে তাহলে ভালো গাওয়ার সুযোগ নেই তার। আমি এখনও প্রতিদিন রেওয়াজ করি।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html