ধ্বংসস্তুপ থেকে আবারও মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য কেন্দ্র রাড্ডা। গুঁড়িয়ে দেওয়া রুমেই অস্থায়ীভাবে শুরু হয়েছে টিকাদান। রেগুলার ইপিআইয়ের পাশাপাশি হাম রুবেলার টিকা দেওয়া চলছে। রুমগুলো সংস্কার এবং ধ্বংসস্তুপের আবর্জনা সরানোর কাজ চলছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে এসব কার্যক্রম লক্ষ করা গেছে।
দেখা যায়, সন্ত্রাসীদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার তিন দিন পর মাথা তুলে দাঁড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে রাড্ডার। ভাঙা ভবনের ইট-রডের স্তুপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির নেতারা শ্রমিক দিয়ে সেগুলো সরানোর কাজ তদারকি করছেন। দুটি রুম প্রাথমিকভাবে কিছু পরিস্কার করা হয়েছে। তাতে কর্মীরা বসে কাজ চালাচ্ছেন।
দেখা যায়, সকালে টিকা দেওয়ার জন্য মায়েরা তাদের শিশুদের নিয়ে এসেছেন। রাড্ডার কর্মীরা টিকা দিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়াও রাড্ডার নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আক্তারকেও চোখে পড়ে। তিনি তাদের কর্মীদের নানা বিষয় পরামর্শ দিচ্ছেন।
সাংবাদিকদের যা বললেন নির্বাহী পরিচালক
রাড্ডার নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আক্তার সাংবাদিকদের আলেন, সবার আগে এখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা যেন নির্ভয়ে কাজ করতে পারি তার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি বলেন, ৫০ বছরের পুরাতন এ রকম প্রতিষ্ঠানে সমমনা ব্যবসায়ী পরিষদ নামের দুর্বৃত্তরা যেন পুনারায় হামলা না করতে পারে, তার জন্য প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাড্ডা আপনাদের ভালোবাসায় ঋণী। আপনারা সত্য ঘটনা যেভাবে তুলে ধরেছেন, সেই কারণে রাড্ডার কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব হয়েছে।