ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হুথিদের দমনে ইরানের দ্বারস্থ তুরস্ক


October 19, 2026 6:55 pm
Link Copied!


ক্রমবর্ধমান হুথি হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবের প্রতি সামরিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি সংঘাত কমাতে ইরানের সহায়তা চাইছে তুরস্ক। তবে বিশ্লেষকদের মতে, উত্তেজনা দ্রুত কমানোর বিষয়ে ইরানের বিশেষ তাগিদ নাও থাকতে পারে এবং হুথিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর তেহরানের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে তাও স্পষ্ট নয়।

গত সপ্তাহে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের জোর চেষ্টার কথা জানান। তিনি জানান, এই প্রচেষ্টায় সৌদি আরব গঠনমূলক সমর্থন দিচ্ছে। এই ঘোষণার পর আঙ্কারার কূটনীতি গতি পায়। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলে সংহতি প্রকাশ করেন। একই দিনে হাকান ফিদান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে আলোচনা করেন।

সৌদি ভূখণ্ডে হুথি হামলা ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আঙ্কারার এই তৎপরতা শুরু হয়। গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জনের বেশি আহত হন, যা বিগত এক দশকেরও বেশি সময়ে দেশটিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

এই হামলার পর গত আগস্টে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নতুন করে আলোচনায় আসে। চুক্তিতে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। সংঘাত বাড়ায় গত ৫ অক্টোবর তিন দেশ রিয়াদে দ্রুত সামরিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয়। তবে বাহিনী পাঠাতে তুর্কি পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান চুক্তিটি দ্রুত পার্লামেন্টে পাঠানোর কথা বললেও তা এখনও পাঠানো হয়নি।

পার্লামেন্টে অনুমোদিত হলেও তুরস্ক হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণাত্মক অবস্থানে যাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। আঙ্কারা মূলত সামরিক প্রযুক্তি ও পরামর্শমূলক সহায়তা দেবে, যাতে সংঘাত আরও না বাড়ে। আঙ্কারাভিত্তিক সেন্টার ফর ইরানিয়ান স্টাডিজের প্রধান সেরহান আফাকান বলেন, তুরস্ক দৃশ্যত সংকটকে স্থবির করে রাখার উপায় খুঁজছে।

তুরস্কের মূল লক্ষ্য সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে রাখা। সেনা মোতায়েন করলে তুর্কি বাহিনী ও সামরিক সরঞ্জাম সরাসরি হামলার মুখে পড়তে পারে। উল্লেখ্য, গালফ অঞ্চলে বিদেশি বাহিনী ইতিমধ্যে হতাহতের শিকার হয়েছে। গত মার্চে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলায় সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে নিযুক্ত প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

হুথিদের মূল বিদেশি পৃষ্ঠপোষক হওয়ায় ইরানের ওপর তাদের বড় প্রভাব রয়েছে বলে বিশ্বাস করে আঙ্কারা। ২০২৫ সালের মার্চে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনেও হুথিদের ইরানি সহায়তা পাওয়ার কথা বলা হয়। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো অ্যালেক্স ভাটানকা জানান, আঙ্কারা যেন সরাসরি সামরিক যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ইরানও তুরস্ককে পাশে রাখতে চায়। তবে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানের আগ্রহ কম থাকতে পারে। ভাটানকা বলেন, ইরান হয়তো চাইবে হুথিরা সৌদি আরবকে আঘাত করার সক্ষমতা দেখাক, যাতে তাদের নিজেদের ও ইরানের দরকষাকড়ির অবস্থান শক্ত হয়।

তবে হুথিরা নিজেদের অগ্রাধিকার বাদ দিয়ে অন্ধভাবে ইরানি নির্দেশ মানবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সূত্র: আল-মনিটর





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html