লিওনেল মেসির ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিক মানেই চোখধাঁধানো এক শট। যে শটে গোলকিপারও অসহায় হয়ে পড়েন। যেমনটা দেখা গেছে জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-১ গোলে জেতা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে।
ম্যাচটার ৬০ মিনিটে মাঠে নামেনর কাতার বিশ্বকাপ জয়ী। তার পর ৮০ মিনিটে আদায় করেন ফ্রি কিক! পূর্বের ট্রেডমার্ক সব ফ্রি কিকের মতোই এবারও তার কৌশলের ব্যতিক্রম হয়নি।
সাধারণত তার শটের পর বলের ঘূর্ণন মানবপ্রাচীর পাশ কাটিয়ে জড়ায় জালের নিচের বা ওপরের কর্নারে। এই শটের বেলাতেও দেখা গেছে বলটি মানবপ্রাচীরের ঠিক পাশ দিয়ে হঠাৎ দিক বদলে জাল কাঁপিয়েছে। গোলরক্ষক বলের গতিপথ ধরতেই পারেননি। যা মেসির কার্যকরী ‘ট্রেডমার্ক’ অস্ত্র। এই অস্ত্রেই আবার আরেকটি রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন তিনি।
এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে ফ্রি-কিক থেকে দুটি গোল করা মাত্র চতুর্থ ফুটবলার হয়েছেন মেসি। তিনি স্পর্শ করেছেন ব্রাজিলের রিভেলিনো (১৯৭০ ও ১৯৭৪), ফ্রান্সের বার্নার্ড জেনগিনি (১৯৮২) এবং ইংল্যান্ডের ডেভিড বেকহামের (১৯৯৮ ও ২০০৬) রেকর্ড।
এছাড়া বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাসও গড়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলার এখন মেসি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের অভিযানে শুরু হওয়া এই গোলের ধারাবাহিকতা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তাছাড়া সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় নিজের কীর্তিকে আরও সমৃদ্ধ করছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি তার ১৯তম গোল। আর চলতি আসরে তিন ম্যাচে এটি তার ষষ্ঠ গোল।