ঢাকাTuesday , 21 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেন চাকরিতে টিকছেন না গ্র্যাজুয়েটরা, পরিত্রাণের উপায় কী


July 19, 2026 9:50 am
Link Copied!


প্রতি বছর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে হাজারো শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন শেষ করছেন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে গিয়ে তাদের একটি বড় অংশই হোঁচট খাচ্ছেন। কেউ ইন্টারভিউ টেবিলেই বাদ পড়ছেন, আবার অনেকে চাকরিতে যোগ দিলেও প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে দ্রুতই ঝরে পড়ছেন বা চাকরি হারাচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞ ও কর্পোরেট খাতের নিয়োগকর্তাদের মতে, বর্তমানে গ্র্যাজুয়েটদের চাকরিতে না টেকার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। নেপথ্য কারণ, দক্ষতার ঘাটতি এবং এই সংকট থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য একটি বিশেষ প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো-

কেন চাকরিতে টিকছেন না দেশের গ্র্যাজুয়েটরা?

তাত্ত্বিক শিক্ষার আধিক্য: দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা মূলত পাঠ্যবইয়ের পাতা ও মুখস্থবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ডিগ্রি অর্জন করলেও শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব ও প্রায়োগিক পরিস্থিতি বুঝতে হিমশিম খেয়ে থাকেন।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া গ্যাপ: বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম বা সিলেবাস যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপডেট হচ্ছে না। ফলে কোম্পানিগুলো যে ধরনের কর্মী খুঁজছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সে অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারছে না।

ক্যারিয়ার ভাবনায় অসচেতনতা: পড়াশোনার পাশাপাশি যে নিজেকে কর্পোরেট জগতের জন্য প্রস্তুত করতে হয়, অনেক শিক্ষার্থীর এই ধারণার ঘাটতি রয়েছে।

কী ধরণের স্কিলের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি?

নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ‘সফট এবং টেকনিক্যাল স্কিল’ মূলত এই দুই ধরণের দক্ষতার তীব্র ঘাটতি দেখা যায়। সফট স্কিলের মধ্যে রয়েছে যোগাযোগের অভাব, সমস্যা সমাধানে অক্ষমতা ও দলগত কাজে তরুণদের মানিয়ে নিতে না পারা।

এছাড়া টেকনিক্যাল স্কিলে তরুণদের সাধারণ এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট বা প্রফেশনাল ইমেইল আদান-প্রদানে অদক্ষতা দেখা যায়। কারও কারও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারেও দক্ষতা থাকে না।

এই সংকট থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

বেকারত্বের এই বৃত্ত থেকে বের হয়ে তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো হলো-

সিলেবাসের আধুনিকায়ন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করে প্রজেক্টভিত্তিক কাজ, কেস স্টাডি এবং রিয়েল-লাইফ প্রবলেম সলভিংয়ের ওপর জোর দেওয়া উচিত।

ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করা: গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার আগেই শিক্ষার্থীদের অন্তত ৩ থেকে ৬ মাসের বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন বাধ্যতামূলক করা দরকার, যাতে তারা অফিসের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্কিল ডেভেলপমেন্ট: তরুণদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেটের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই অনলাইন বা অফলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রফেশনাল কমিউনিকেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং, আইটি বা নিজ নিজ বিষয়ের অ্যাডভান্সড স্কিলগুলো শিখে নিতে হবে।

ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেন্টারের সক্রিয়তা: প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ক্যারিয়ার গাইডেন্স সেল থাকা উচিত, যা শিক্ষার্থীদের শুরু থেকেই সঠিক ক্যারিয়ার সম্পর্কে গাইড করবে।

একটি ভালো ডিগ্রি হয়তো আপনাকে ইন্টারভিউয়ের টেবিল পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করবে। কিন্তু চাকরি ধরে রাখা বা সেখানে টিকে থাকা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার স্কিল এবং শেখার মানসিকতার ওপর। কারণ বাজার এখন সার্টিফিকেটের চেয়ে প্র্যাক্টিক্যাল কার্যকারিতাকে বেশি মূল্যায়ন করে।





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html