ঢাকাMonday , 20 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগামী বছর বহরে ২১ নতুন বিমান, ২০ দেশে উড়তে চায় ইউএস–বাংলা

UttorbongoBD
July 19, 2026 10:10 pm
Link Copied!


২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি দেশের ৩০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্স। একই সময়ে সংস্থাটির বহরে যুক্ত হবে ২১টি নতুন বিমান।

রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউএস–বাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৪ সালে যাত্রা শুরুর পর বর্তমানে তারা দেশের ছয়টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। স্বাধীনতার পর দেশের কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনস প্রথমবারের মতো নতুন বিমান দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

এই সম্প্রসারণ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর হোটেল শেরাটনে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

ইউএস–বাংলা জানায়, তাদের গ্রুপের অধীনে দুটি এয়ারলাইনস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হবে পূর্ণাঙ্গ সেবাভিত্তিক (ফুল সার্ভিস) এবং অন্যটি স্বল্প ব্যয়ভিত্তিক (লো-কস্ট) এয়ারলাইনস। এর মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য দুই ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বর্তমানে ইউএস–বাংলার বহরের বিমানের গড় বয়স প্রায় ১০ বছর, যা আন্তর্জাতিক মানের। আগামী বছর যুক্ত হওয়া নতুন বিমানগুলোতে থাকবে তারবিহীন স্ট্রিমিং, উড়োজাহাজে ইন্টারনেট সুবিধা এবং প্রতিটি আসনে মোবাইল চার্জিংয়ের ব্যবস্থা। যাত্রীদের বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ইউএস–বাংলা জানায়, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইউএস–বাংলা ও এয়ার অ্যাস্ট্রা মিলিয়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ বাজার হিস্যা রয়েছে। প্রতিদিন তারা প্রায় ৯৪টি অভ্যন্তরীণ ও ৩০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। মাসে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফ্লাইট পরিচালিত হয়।

দক্ষিণ এশিয়ায় বর্তমানে কলকাতা, চেন্নাই, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস–বাংলা। স্বাধীনতার পর দেশের কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনস হিসেবে প্রথমবার চেন্নাইয়ে সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবিও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। চিকিৎসাসেবার সুবিধা বিবেচনায় এ রুট চালু করা হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ ছাড়াই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।

মালদ্বীপে স্বাধীনতার পর প্রথম বাংলাদেশি বেসরকারি এয়ারলাইনস হিসেবে ফ্লাইট চালুর দাবিও করেছে ইউএস–বাংলা। তাদের ভাষ্য, ভাড়া কমিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে নিয়ে আসায় সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিদের দেশে ফেরা সহজ হয়েছে। এ ছাড়া চিকিৎসাসেবার কথা বিবেচনায় বেঙ্গালুরুতেও ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।

বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর ও কুয়ালালামপুরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী বছর ফুকেট ও ব্রুনাইকে নতুন গন্তব্য হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে ইউএস–বাংলা। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রয়োজনীয় দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সম্পন্ন হলে সেখানে ফ্লাইট শুরু করতে চায় তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে কাতার, ওমান, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা ও রিয়াদে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস–বাংলা। আগামী বছর দাম্মাম ও মদিনা রুটেও ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর প্রথম বাংলাদেশি বেসরকারি এয়ারলাইনস হিসেবে চীনে ফ্লাইট পরিচালনার কৃতিত্বও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইউএস–বাংলা জানায়, প্রতিবছর তারা বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব দেয়। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি এয়ারলাইনসগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে রাখা সম্ভব বলেও মনে করে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিশ্বের প্রায় ৭০০টি আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার সংগঠন আইএটিএর সদস্য এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে তারা আইএটিএর গ্রাউন্ড অপারেশনস সেফটি অডিট (আইএসএজিও)-এর স্বীকৃতি অর্জন করেছে। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে টার্কিশ এয়ারলাইন্স ও কাতার এয়ারওয়েজসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইনসগুলোর মান অনুসরণ করা হয় বলেও জানিয়েছে তারা।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, দুই বছর আগে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মাধ্যমে নির্বাচিত ৫০ জন মেধাবী তরুণকে বিদেশে পাইলট প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জন বাংলাদেশি তরুণকে প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশে একজন পাইলট তৈরি করতে দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগলেও যুক্তরাষ্ট্রে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রায় নয় মাসেই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা সম্ভব।





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html