কোটা সংস্কার আন্দোলন আল্লাহর বিশেষ রহমত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন মনোনীত রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও জুলাই গণ-আন্দোলনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের অনবদ্য ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, “আমি ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করতে গিয়ে প্রথম গ্রেফতার হয়েছি।” তখন ভিপি নূর ও হাসান আল মামুনসহ বহু ছাত্রনেতা আন্দোলন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “তখনও আমাদেরকে নানাভাবে সহায়তা করেছেন তারেক রহমান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তিনি ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের অনবদ্য ভূমিকা ছিল।” তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের সারথি হিসেবে যেন নিবেদিতপ্রাণ থাকতে পারেন, সেজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সোমবার (২০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, “শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া দেশ মেরামত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া শত নির্যাতনও দেশ ছাড়েননি ও ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সমঝোতা করেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনেক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। নির্বাসনে থাকলেও পেছন থেকে ভূমিকা রেখেছেন। তার বক্তব্য আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছে।”
এর আগে রবিবার (১৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন তিনি।
এতে বলা হয়, মো. রাশেদ খাঁনকে অন্য যে কোনও পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে যেটি আগে ঘটবে ততদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগের অন্যান্য শর্ত সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
সোমবার (২০ জুলাই) নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান রাশেদ খাঁন নিজেই। পোস্টে তিনি প্রজ্ঞাপনের একটি ছবিও শেয়ার করেন।