ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৪ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আসামিদের বন্ধু আদালতে কী বললেন?


August 26, 2026 4:30 pm
Link Copied!


রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া মহল্লায় চার জনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত মামলার প্রধান সাক্ষী হিসেবে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

এদিকে চার দিন পার হলেও এখনও গ্রেফতার দুই আসামির ডোপ টেস্ট করা হয়নি। এতে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রংপুর মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ জবানবন্দি দেন সীমান্ত। মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম তার খাস কামরায় এ জবানবন্দি গ্রহণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হত্যা মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মহানগর ডিবি পুলিশের ওসি জিন্নাত আলী।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সাক্ষী সীমান্তকে তাদের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আসে। তাকে আসামি নাকি সাক্ষী হিসেবে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে সে বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলেও কিছুই জানানো হয়নি। তবে বুধবার সকালে জানা যায়, সীমান্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়ার আগে তাদের বাসায় এসেছিল তার দুই বন্ধু মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। তার বাসায় এসে তারা দুই জনই ইয়াবা সেবন করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, সীমান্ত আদালতে যে জবানবন্দি দিয়েছেন সেটি আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তির সঙ্গে মিল রয়েছে। আসামিরাও আদালতকে জানিয়েছিলেন, তারা সীমান্তের বাড়িতে ইয়াবা সেবন করেছেন।

মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকেও নাকি বলেছিলেন তারা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার আগে তাদের বন্ধু সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি করেছিলেন।

এদিকে চার দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ চাঞ্চল্যকর এই চার হত্যা মামলার গ্রেফতার দুই আসামির ডোপ টেস্ট করেনি।

এ বিষয়ে রংপুরের শীর্ষ আইনজীবী রইছ উদ্দিন বাদশা বলেন, দুই আসামিকে গ্রেফতার করার পরপরই তারা মাদক সেবন করেছিল কি না তা পরীক্ষা করা উচিত ছিল। চার দিন ধরে তারা কারাগারে আটক আছে, এখন যদি ডোপ টেস্ট করা হয় ও তাদের শরীরে যদি মাদক সেবনের আলামত পাওয়া না যায় তাহলে মামলাটির বিচারের সময় আইনি সমস্যা হতে পারে।

তিনি বলেন, পুলিশ বলছে, দুই আসামি হত্যার আগে তাদের বন্ধু সীমান্তের বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করেছে। এরপর তারা শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে গিয়ে মাদক সেবন করার সময় বাধা দেওয়ায় তাকে সহ তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকেও হত্যা করেছে। এরপর তারা নাকি তার বাসাতেও ইয়াবা সেবন করেছে। সে ক্ষেত্রে মাদক সেবনকারী হিসেবে ডোপ টেস্ট করা পুলিশের দায়িত্ব। আর যদি ডোপ টেস্টে প্রমাণিত না হয় তারা মাদকসেবী তাহলে এর প্রভাব মামলার বিচারের সময় পড়তে পারে।

তবে এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি জিন্নাত আলী জানান, আসামিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডোপ টেস্টের জন্য সোমবার সকালে ডকেট পেয়েছি। ইতিমধ্যে আবেদন করেছি। বুধবার ডোপ টেস্ট করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রংপুরে একই পরিবারের চার খুনের আলোচিত এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মানুষের মনে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে খোঁজা হবে জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে মানুষের মনে যতগুলো প্রশ্ন আছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার উত্তর খোঁজা হবে। এ মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

উল্লেখ্য গত শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া মহল্লায় একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চারটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করা লাশ চারটি হলো রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১৩)।

এ ঘটনায় গত রবিবার নগরীর কোতোয়ালি থানায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জিকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়। পরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় মহানগর ডিবিতে। এখন ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html