ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাজ্যে স্পন্সর ছাড়া ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা’: বাংলাদেশিদের সামনে কি নতুন সুযোগ


August 27, 2026 3:45 pm
Link Copied!


ব্রিটিশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক ডিজাইন সংস্থাগুলো এখন থেকে কোনও ধরনের স্পন্সরশিপ লাইসেন্স বা বাড়তি প্রশাসনিক ফি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ বিদেশি পেশাজীবীদের নিয়োগ দিতে পারছে। দেশটির সরকারের ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা’ কাঠামোর সম্প্রসারণের ফলে এই নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি কার্যকর হওয়া নতুন বিধিমালায় ১০০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক গবেষণা সংস্থাকে এই ভিসার আওতাভুক্ত করেছে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর পাশাপাশি বাণিজ্যিক ডিজাইন খাতের জন্য চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন একটি ক্যাটাগরি। এই সংস্কারের ফলে আন্তর্জাতিক গবেষক ও ডিজাইনারদের ক্ষেত্রে প্রথাগত ন্যূনতম বেতনের বাধ্যবাধকতা, সার্টিফিকেট অব স্পন্সরশিপ ফি এবং ইমিগ্রেশন স্কিলস লেভি পুরোপুরি মওকুফ থাকছে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারে আন্তর্জাতিক মেধার এই স্বয়ংক্রিয় অন্তর্ভুক্তি দেশটির উদ্ভাবনী অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রযুক্তিগত ও সৃজনশীল খাতে বিদেশি কর্মী নেওয়ার প্রচলিত ধারায় এটি একটি মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। ‘ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন’ (ইউকেআরআই) অ্যান্ডোর্সড ফান্ডার রুটের পরিধি আগে কেবল বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। নতুন পরিবর্তনের ফলে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের মতো বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সরাসরি আন্তর্জাতিক গবেষকদের নিয়োগ করতে পারছে।

অন্যদিকে, আর্টস কাউন্সিল ইংল্যান্ডের কাঠামোর আওতায় ডিজাইন বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)-কে মূল্যায়নকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাফিক, প্রোডাক্ট, ফার্নিচার ও কমার্শিয়াল ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের জন্য যুক্তরাজ্যে কাজের স্বাধীন পথ তৈরি হয়েছে। তবে ডিজিটাল ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (ইউএক্স) এবং ইউজার ইন্টারফেস (ইউআই) ডিজাইনাররা এই ধারার বাইরে থাকবেন; তাদের আবেদন করতে হবে টেক নেশন-এর ডিজিটাল টেকনোলজি রুটে।

গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি কোনও একক প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল নয়। ফলে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা সরাসরি ফুল-টাইম চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং কিংবা নিজের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ণ স্বাধীনতা পান। আবেদনকারীরা দুটি বিভাগে আবেদন করতে পারেন, অভিজ্ঞদের জন্য ‘এক্সেপশনাল ট্যালেন্ট’ (যা মাত্র ৩ বছরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দেয়) এবং উদীয়মানদের জন্য ‘এক্সেপশনাল প্রমিজ’ (৫ বছরের স্থায়ী বসবাসের পথ)।

বাংলাদেশি গবেষক ও তরুণদের নতুন সম্ভাবনা

ব্রিটিশ সরকারের এই নীতিগত পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের গবেষক, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং সৃজনশীল ডিজাইনারদের জন্য যুক্তরাজ্যে ক্যারিয়ার গড়ার পথ আরও সুগম হলো। অতীতে যুক্তরাজ্যের ভিসা জটিলতা ও স্পন্সরশিপ পাওয়ার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক প্রতিভাবান বাংলাদেশি পেশাজীবীর জন্য দেশটিতে পৌঁছানো কঠিন ছিল। বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল নিয়ে উচ্চতর গবেষণারত বাংলাদেশি স্কলারদের পাশাপাশি ব্র্যান্ডিং ও প্রোডাক্ট ডিজাইনে আন্তর্জাতিক পোর্টফোলিও বা স্বীকৃতি রয়েছে এমন তরুণদের জন্যও এই ভিসা বড় একটি বিকল্প হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

তবে ব্যারিস্টার সালাহউদ্দীন সুমন বুধবার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, এই ভিসায় স্পন্সরশিপের ঝামেলা না থাকলেও পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের প্রক্রিয়া বেশ কঠোর। আবেদনকারীকে তার কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, পুরস্কার, প্রকাশনা কিংবা অনুদানপ্রাপ্তির শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয়সহ এশিয়ার বহু দেশের তুলনায় আমাদের কর্মীদের দক্ষতা কম থাকায় এ ভিসার সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা পিছিয়ে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html