ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডায়াবেটিসকে হারিয়ে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম, মাকে কৃতিত্ব দিলেন জভেরেভ


September 14, 2026 1:50 pm
Link Copied!


একটা সময় চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, এই শিশুর জীবন আর খেলাধুলা হয়তো আগের মতো থাকবে না। মাত্র চার বছর বয়সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল অ্যালেকজান্ডার জভেরেভের। কিন্তু চিকিৎসকদের সেই শঙ্কাকে পাত্তা দেননি তার মা ইরিনা। ছেলের সামনে সীমারেখা টেনে দিতে রাজি ছিলেন না তিনি। বলেছিলেন, ‘ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে।’ সেই অটুট বিশ্বাসই যেন আজ ফিরে এলো সবচেয়ে বড় মঞ্চে। ইউএস ওপেন জিতে মাকে কৃতিত্ব দিতে গিয়ে আবেগে ভেসেছেন জার্মান তারকা।

সোমবার ফ্ল্যাশিং মিডোয় আমেরিকান বেন শেলটনকে ৬-৩, ৭-৬(২), ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতেছেন শীর্ষ বাছাই জভেরেভ। দুর্দান্ত এই জয়ের মাধ্যমে গ্র্যান্ড স্ল্যামে তার অসাধারণ বছরটির পূর্ণতা এসেছে। বার বার কাছাকাছি গিয়েও ব্যর্থ হওয়ার তকমা পেছনে ফেলে তিনি এখন দুই গ্র্যান্ড স্লামের মালিক।

শিরোপা জয়ের পর অবশ্য নিজের কথা খুব বেশি বলেননি জভেরেভ। বরং তার কণ্ঠে বারবার ফিরে এসেছে পরিবার ও কাছের মানুষদের কথা। বিশেষ করে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ২৯ বছর বয়সী এই তারকা।

পেশাদার টেনিসে সাবেক খেলোয়াড় ইরিনা জভেরেভকে নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। কারণ, ছেলের চার বছর বয়সে ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর চিকিৎসকেরা যখন খেলাধুলা ও জীবনে নানা সীমাবদ্ধতার আশঙ্কা করেছিলেন, তখন ইরিনা ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিলেন।

জভেরেভ বলেন, ‘‘যখন আপনার চার বছর বয়সী ছেলের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে এবং চিকিৎসকেরা বলেন, ওই শিশুর জীবন ও খেলাধুলা খুব সীমিত হয়ে যাবে, তখন একজন মায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে বলা, ‘আমার ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে’- এর জন্য অনেক শক্ত হতে হয়।’’

তিনি আরও বলেন, ‘সে যদি টেনিস খেলোয়াড় হতে চায়, তাহলে টেনিস খেলোয়াড়ই হবে। সে অন্য কিছু করতে চাইলে সেটাই করবে। কিন্তু এই অসুখ আমাদের ভবিষ্যৎ ঠিক করবে না।’

মায়ের সেই বিশ্বাস যে তাকে কতটা শক্তি দিয়েছে, সেটিও জানিয়েছেন জভেরেভ,‘আমি খুশি যে আমরা সবকিছুর মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছি এবং এখন যা করছি, তা করতে পারছি। আমার মা আমার পরিচিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মানুষ। তিনি যা করেছেন, তা করতে অবিশ্বাস্য রকমের শক্ত একজন নারী হতে হয়।’

ইউএস ওপেন জয়ের পথে শুধু মায়ের নয়, পুরো পরিবারের অবদানের কথাও স্মরণ করেছেন জভেরেভ। তার দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাবা আলেকজান্ডার জভেরেভ সিনিয়র ও ভাই মিশচাও। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, কষ্ট ও ত্যাগের ফল হিসেবেই আরেকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি হাতে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।

টোকিও অলিম্পিকে পাঁচ বছর আগে জেতা সোনার পদকের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা। আর সেই সাফল্যের পেছনে পরিবারের দীর্ঘ পথচলাটাকেই সামনে এনেছেন জার্মান তারকা।

জভেরেভ বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর আমরা একটি গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জিততে পারিনি। আর এখন মাত্র তিন মাসের মধ্যে আমরা দুটি জিতেছি।’

এই সাফল্যকে তিনি শুধু ২০২৬ সালের অর্জন হিসেবে দেখছেন না। বরং বছরের পর বছর ধরে করা কঠোর পরিশ্রম, সহ্য করা কষ্ট ও যন্ত্রণার ফল হিসেবেই দেখছেন। জভেরেভের ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, ঈশ্বর দেখেছেন আমরা কত কঠোর পরিশ্রম করেছি, কতটা কষ্ট পেয়েছি, কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমার মনে হয়, ২০২৬ সাল হলো এর আগের সব বছরের পরিশ্রমের ফসল।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html