ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্রিকেটে ডিএলএস পদ্ধতি কেন, কীভাবে কাজ করে এই নিয়ম?


September 11, 2026 10:55 am
Link Copied!


ক্রিকেটে বৃষ্টি মানেই ম্যাচের সমীকরণে নাটকীয় পরিবর্তন। খেলা থেমে গেলে শুধু ওভারই কমে না, বদলে যেতে পারে জয়ের লক্ষ্যও। আর তখনই সামনে আসে বহুল আলোচিত বৃষ্টি আইনের ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন বা ডিএলএস পদ্ধতি। বৃষ্টিতে খেলা সংক্ষিপ্ত হলে দুই দলের হাতে থাকা ‘রিসোর্স’ বা সম্বল বিবেচনায় নিয়ে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করাই এই পদ্ধতির মূল কাজ।

কেন এলো ডিএলএস পদ্ধতি?

ওয়ানডে ক্রিকেটের শুরুর দিকে বৃষ্টিতে ম্যাচের ফল নির্ধারণে ব্যবহার করা হতো অ্যাভারেজ রান রেট পদ্ধতি। হিসাবটি ছিল তুলনামূলক সহজ। প্রথম দল যত রান করেছে, তাদের রান রেটের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দলের লক্ষ্য ঠিক করা হতো।

কিন্তু দ্রুতই বোঝা যায়, এই পদ্ধতিতে দ্বিতীয় দল অনেক সময় সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। ফলে আরও কার্যকর একটি নিয়মের প্রয়োজন দেখা দেয়।

এরপর আসে মোস্ট প্রোডাক্টিভ ওভারস পদ্ধতি। এতে প্রথম দলের সবচেয়ে বেশি রান করা ওভারগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনা করে দ্বিতীয় দলের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হতো।

কিন্তু এই নিয়মেও সমস্যা ছিল। এবার সুবিধা পেতে শুরু করে দ্বিতীয় ইনিংসে বল করা দল। ফলে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ন্যায্য ফল নির্ধারণের জন্য নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই প্রয়োজন থেকেই জন্ম নেয় ডিএলএস পদ্ধতি।

ডিএলএসের উদ্ভাবক কারা?

ইংল্যান্ডের দুই পরিসংখ্যানবিদ ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইস বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের জন্য এই গাণিতিক পদ্ধতি তৈরি করেন। ১৯৯৭ সালে প্রথমবার এটি ব্যবহার করা হয়।

১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ে ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে প্রথমবার ডিএলএস পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। পরে ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করে।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ান শিক্ষাবিদ স্টিভ স্টার্ন পদ্ধতিটির সূত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। এরপর তার নামও যুক্ত হয়। তখন থেকেই এটি ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন বা ডিএলএস নামে পরিচিত।

কীভাবে কাজ করে ডিএলএস?

ডিএলএস পদ্ধতিতে একটি ইনিংসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ‘রিসোর্স’ বা সম্বল হলো-

*বাকি থাকা ওভার/বল
*পতন হওয়া উইকেট

বৃষ্টির কারণে যত বেশি সময় ও বল ব্যবহৃত হয়, ব্যাটিং দলের হাতে থাকা সম্বল তত কমে। আবার উইকেট হারালেও সম্বল কমে যায়।

তবে এই সম্বল বা রিসোর্স কমার হার সব সময় একই নয়। শুরুতে হাতে সব উইকেট থাকায় ওভার হারানোর প্রভাব একরকম, আবার কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলে একই সংখ্যক বল হারানোর প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।

সহজভাবে বলতে গেলে, ডিএলএস প্রথম দলের ইনিংস এবং দ্বিতীয় দলের হাতে থাকা রিসোর্সের তুলনা করে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

সরলীকৃতভাবে এর ধারণাটি এমন:

দ্বিতীয় দলের পার স্কোর = প্রথম দলের স্কোর × (দ্বিতীয় দলের রিসোর্স ÷ প্রথম দলের রিসোর্স)।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যবহৃত প্রকৃত সম্বল বা রিসোর্সের মূল্যগুলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এবং সেগুলো সাধারণভাবে প্রকাশ করা হয় না।

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html