ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা দক্ষিণের ২৭ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘চরম ঝুঁকিতে’, মাঠে ২৫ হাজার কর্মী

UttorbongoBD
September 14, 2026 4:10 pm
Link Copied!


ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘আদাজল খেয়ে’ মাঠে নেমেছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। একসঙ্গে দুই সিটি করপোরেশনের ২৫ হাজার সদস্য নিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বড় কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে সংস্থা দুটি। এরমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) তাদের ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একসঙ্গে চালাতে ১০টি অঞ্চলে তদারকি কমিটি করেছে সংস্থাটি। অন্যদিকে এমন জরিপ না করলেও ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে তার বাড়ি ও আশপাশে গিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডেঙ্গু রোগী বেশি ভর্তি হন—এমন হাসপাতাল থেকে নিয়মিত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করছেন উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। পরে রোগীর এলাকা ভেদে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই সিটির ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত

অন্যদিকে বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই নির্ধারিত সূচকের চেয়ে অতিরিক্ত এডিস মশার ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে।

জরিপে বলা হয়, ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন কর্মীর মাধ্যমে গত ১২ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় আধুনিক ‘কবো টুলবক্স’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো ১৫, ১৭, ২০, ২১, ২, ৪, ৫, ৬, ৯, ১১, ১৩, ২৩,২৪ ২৫, ২৬, ২৮, ৫৫, ৫৬, ৫৭,৩২, ৩৬, ৩৮, ৭, ৫২ নম্বর ওয়ার্ড। মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো- ১৯, ১, ৩, ১০, ১২, ১৪, ২২, ২৯, ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৪২, ৪৩, ৩৯, ৪০, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫৩, ৭০, ৭৪, ৭১, ৭২, ৬৬, ৬৭, ৬৫, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১ নম্বর ওয়ার্ড। সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১৬, ১৮, ৮, ২৭, ৩৭, ৪১, ৪৮, ৫৪, ৭৫, ৬৯, ৬৩, ৬৪ নম্বর ওয়ার্ড।

ঢাকা সিটিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ২৫ হাজার সদস্যের বড় কর্মযজ্ঞ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএসসিসির ৭ হাজার এবং ডিএনসিসির সাড়ে ৫ হাজার পরিচ্ছন্নতা ও মশক কর্মীর পাশাপাশি বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, বাংলাদেশ স্কাউটস, গার্লস গাইড, বিডি ক্লিন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে প্রায় ২৫ হাজার সদস্যের নিয়ে একটি বড় কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।‌ 

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চটুকু চেষ্টা করছে। ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে দুই সিটি করপোরেশনের বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, পুরো জাতি এ লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ। আশাকরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন মাসের যে অভিযান কর্মসূচি শুরু হয়েছে তার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডকে এডিসমুক্ত করার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে মানুষের মধ্যে নতুন করে সচেতনতা তৈরি হবে।’

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে নিজ বাসা থেকে লড়াই শুরু করতে হবে 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশন কিংবা সরকার যতোই উদ্দ্যোগ নিক প্রথমে নিজ বাসা থেকে লড়াইটা শুরু করতে হবে বলে মনে করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম।‌ তার মতে, ‘জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনভাবেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়। এ কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু থেকে সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধন করেছেন। আশাকরি এর মধ্যে দিয়ে ভাল ফলাফল আসবে।’ এসময় সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের সময় রাজধানীর বাসিন্দাদের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতার আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
 
যেকোনও মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে চায় সরকার 

যেকোনও মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং ডেঙ্গু সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিশেষভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।‌ যার মূল্য লক্ষ্য এডিস মশার প্রজননস্থল পুরোপুরি ধ্বংস করা।

তিনি বলেন, কেবল নির্দিষ্ট সময়ের অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে বছরজুড়ে এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি ধারাবাহিক সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

নির্মাণাধীন ভবনসহ যেকোনও স্থানে পানি জমে থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘অবহেলা পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়া হবে। তবে তিনি শাস্তির চেয়ে নাগরিক সচেতনতার ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেন।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html