ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও ভবনে হামলা-ভাঙচুর, ১৩ জনের নামে মামলা

UttorbongoBD
September 28, 2026 4:00 am
Link Copied!


জধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওসহ একটি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর, গুলি ও লুটপাটের অভিযোগে সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করেছে।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ চার জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

মামলায় নাম থাকা অন্য ব্যক্তিরা হলেন— শাহরিয়ার মাহমুদ, আবুল কাশেম, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, এমকে আজাদ, মামুন, আসলাম, মুন্না ও মিজানুর রহমান।

সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, শনিবার রাতে দুটি ট্রাকে করে লোকজন গিয়ে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। রাত পৌনে ২টার দিকে স্টুডিওটির ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে সেখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন সালমান মুক্তাদির।

পুলিশ বলছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের জমির মালিক এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই বিরোধের সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাইফুল ইসলামের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে আসামিরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিউগিনি প্রোপার্টিজের প্রকল্পে প্রবেশ করেন। তাদের হাতে পিস্তল, শটগান, রিভলবার, চাপাতি, রামদা, ছুরি, রড ও লাঠিসোঁটা ছিল। তারা কয়েক দফা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ সময় প্রকল্পের শ্রমিক ও নিরাপত্তাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। হামলাকারীরা প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার পারভেজকে মারধর করেন। একজন রিভলবারের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। পরে ছুরি দিয়ে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাত ও পিঠে আঘাত করা হয়।

পারভেজকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি ওয়্যারলেস সেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্পের প্রধান ফটকে গুলি করে লোহার গেট, থাইগ্লাস ও কাচের গেট ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে অফিসকক্ষে ঢুকে কম্পিউটার মনিটর, ডিভিআর, ফ্রিজ, ল্যাপটপ, টেবিল, চেয়ার ও আলমারি ভাঙচুর করা হয়। এতে আরও প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, অফিসের একটি লকার ভেঙে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য রাখা ২৫ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের পাশে রাখা ২৩ টন রড, যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, এবং প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিএফ মোটর স্কুটার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

স্টোররুম থেকেও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ও সরঞ্জাম চুরির অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের ২০০ কয়েল তার, পাঁচটি পানির পাম্প, নির্মাণসামগ্রী ওঠানোর সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিসি ক্যামেরা, ডিভিআর ও মনিটরসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের একটি ৫ হাজার বর্গফুটের ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সালমান মুক্তাদীর ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন। হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে দুটি টেলিভিশন, এসি ও অন্য আসবাব ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ৯৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে হামলা ও ভাঙচুরে এক কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং এক কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাঁচটি শটগানের গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মামুন ও আসলামকে গ্রেফতার করে। মামুনের কাছ থেকে কাঠের বাটসহ দুটি ধারালো ছুরি এবং আসলামের কাছ থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শাহরিয়ারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html