ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বড় বিল্ডিং নয়, সরকার হেলথ কার্ডে জোর দিয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

UttorbongoBD
June 15, 2026 10:10 am
Link Copied!


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, প্রথাগত বড় বড় বিল্ডিং বা অবকাঠামো নির্মাণের ‘পেট প্রজেক্ট’ থেকে বের হয়ে বর্তমান সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’-এর মতো প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্য খাত গড়তে বদ্ধপরিকর।

 

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ এবং আর্ক ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘অর্থবছর ২০২৬-২০২৭ : স্বাস্থ্য বাজেটের ওপর নাগরিক সমাজের ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বক্তব্যের শুরুতেই স্বাস্থ্য খাতের মাঠপর্যায়ের কঠোর বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূল থেকে শুরু করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইনস্টিটিউট সবখানেই অর্ধেক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চিকিৎসক গায়েব। ১০ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলে পাওয়া যায় ৫ জনকে। ২০ জন ক্লিনার থাকার কথা থাকলেও আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলো ভুয়া ক্লিনার দেখিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছে। হাসপাতালের গেটে পা রাখতেই সাধারণ মানুষ দালাল-বাটপার ও আউটসোর্সিং স্টাফদের খপ্পরে পড়ে হেনস্থার শিকার হচ্ছে।’

 

স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের সমালোচনা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ধরে আমরা শুধু জরুরি পরিস্থিতি সামলানোর দিকো (ফায়ার ফাইটিং) নজর দিয়েছি, ঠান্ডা মাথায় দীর্ঘমেয়াদি পলিসি তৈরির সুযোগ হচ্ছে না। সিভিল সার্জনরা তাদের আগের দাপট ও ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছেন। কারণ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ না করে সব ফাইল ডিজি হেলথ ও মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় এনে স্তূপ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ৮০ শতাংশ মানুষ এখন ভুল কাজে ব্যস্ত।’ এই অচলাবস্থা কাটাতে একটি নতুন প্রজন্মের সিভিল সার্জন তৈরির তাগিদ দেন তিনি।

 

মন্ত্রী-সচিবদের এলাকায় ‘ই-হেলথ কার্ড’ পাইলটিং করার নেতিবাচক সমালোচনার জবাব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, মন্ত্রী বা সচিবদের এলাকায় পাইলটিং করা হচ্ছে, যেন শতভাগ তদারকি নিশ্চিত করে দ্রুত লার্নিং নেওয়া যায় এবং পরবর্তী সময়ে তা নিখুঁতভাবে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।

 

অর্থনৈতিক ও মেধার সক্ষমতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আর্থিকভাবে আমাদের আর অনুদান নির্ভর বা পরমুখাপেক্ষী দেশ হিসেবে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের নিজস্ব অর্থ ও জনবল বিশেষজ্ঞদের ৩০-৫০ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

 

এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের চোখে তিনি বিস্ময় দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html