নিয়মিত মৌসুমের আর মাত্র ৩ ম্যাচ বাকি। এর মধ্যেই প্লে-অফের বাছাইপর্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগ ইন্টার মায়ামি ও এফসি সিনসিনাটির। বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের মুখোমুখি লড়াইয়ে পয়েন্টের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে নিজেদের অবস্থান উন্নত করার হিসাবও। দুই দলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও এভান্দেরও মাঠে নামার কথা রয়েছে।
গত ১৩ মে সিনসিনাটির মাঠে ৫-৩ গোলে জিতেছিল মায়ামি। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন মেসি। সিনসিনাটির হয়ে গোল করেছিলেন এভান্দেরও। দ্বিতীয়ার্ধে তার গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও গিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় মায়ামি।
মায়ামি ১৫ জয়, ৬ ড্র ও ১০ হারে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানের জন্য নিউ ইংল্যান্ডের সঙ্গে সমতায় আছে। তবে বেশি জয়ের কারণে টাইব্রেকারে এগিয়ে নিউ ইংল্যান্ড। তাদের জয় ১৭টি।
অন্যদিকে ১১ জয়, ১১ ড্র ও ৯ হারে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে থাকা অরল্যান্ডো সিটির সঙ্গে সমতায় আছে সিনসিনাটি। তবে অরল্যান্ডোর চেয়ে একটি জয় কম থাকায় টাইব্রেকারে পিছিয়ে তারা।
ন্যাশভিল ইতোমধ্যে সাপোর্টার্স শিল্ড নিশ্চিত করেছে। ফলে মায়ামির লক্ষ্য এখন দ্বিতীয় বাছাই হিসেবে জায়গা পাকা করা এবং ২০২৭ সালের কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের যোগ্যতা অর্জনে নিজেদের সম্ভাবনা বাড়ানো।
সিনসিনাটির লক্ষ্য সপ্তম স্থানে উঠে সরাসরি প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করা। অষ্টম স্থানে শেষ করলে তাদের খেলতে হবে ওয়াইল্ড কার্ড ম্যাচ। মায়ামির বিপক্ষে জয় এবং এফসি ডালাসের কাছে কলম্বাস হেরে গেলে অন্তত প্লে-ইন পর্বে খেলা নিশ্চিত করতে পারবে সিনসিনাটি।
গত শনিবার নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে ২-০ গোলে হেরে টানা তিন জয়ের ধারায় ছেদ পড়েছে মায়ামির। সেই ম্যাচে মূল একাদশে ছিলেন না মেসি। ৫৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। সিনসিনাটির বিপক্ষে তার শুরুর একাদশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
এমএলএসে ২৫ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে আছেন মেসি। সিনসিনাটির বিপক্ষে গোলসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি টানা তৃতীয়বারের মতো লিগের এমভিপি হওয়ার দাবি আরও জোরালো করতে চাইবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।