প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে চীন।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, সুজন মাহমুদ, শাহাদাৎ স্বাধীন ও সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক খান।
মাহদী আমিন বলেন, ‘মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে দেশের স্বার্থ এবং বাণিজ্যের কিভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে চীন।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্টের করিডরের প্রস্তাবের বিষয়ে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এটি।’
এর আগে গত রবিবার (২১ জুন) রাষ্ট্রীয় সফরে প্রথমে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরদিন সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে চীনের দালিয়ান রওনা হন তিনি।
সেখানেও দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সর্বশেষ শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এরপর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে করে বেইজিং ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটি রাত পৌনে ৮টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফেরেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমে মালয়েশিয়া ও পরে চীনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর।