ঢাকাSaturday , 27 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরান-ইসরায়েল নিয়ে ভিন্ন অবস্থানে ভ্যান্স ও রুবিও

Tariqul Islam
June 26, 2026 11:35 pm
Link Copied!


ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্যের দাবি করলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার মধ্যে সুরের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইসরায়েল ও ইরান নীতি নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে ইঙ্গিত করছে। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য এই দুই পদপ্রার্থীর এমন অবস্থান দলটির অভ্যন্তরীণ বিভাজনকেও সামনে এনেছে।

গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে এগিয়ে নিতে দুই নেতাই সম্প্রতি বিদেশ সফর করেন। সুইজারল্যান্ড সফর শেষে জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে বেশ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করতে পারে। এছাড়া কাতারে পেন্টাগনের সঙ্গে লিয়াজোঁ হিসেবে কাজ করতে ইরানের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্র আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও তিনি প্রকাশ করেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল ইসরায়েল নিয়ে তার মন্তব্য। ভ্যান্স বৈরুতের বেসামরিক অবকাঠামোতে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই হামলা আমেরিকার শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপসাগরীয় সফরে। রুবিও লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে হিজবুল্লাহর হামলার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ‘যৌক্তিক জবাব’ হিসেবে সমর্থন করেন। ভ্যান্সের সমালোচনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি তা এড়িয়ে গিয়ে হিজবুল্লাহর হামলার কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, উপসাগরীয় মিত্রদের ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়নের অনুরোধ করার কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই এবং তা অনেক দূরের কথা। রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা চুক্তি চাই, তবে যেকোনো মূল্যে চুক্তি নয়’।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এই নীতিগত পার্থক্যের কথা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, এখানে কেবল একটিই ক্যাম্প রয়েছে, তা হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্যাম্প। ইরান যেন কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্টের পেছনে রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট একে ‘পুরোনো ও ভুয়া’ গল্প আখ্যা দিয়ে বলেন, পুরো প্রশাসন ট্রাম্পের পেছনে শতভাগ একতাবদ্ধ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক মুখপাত্র বলেন, লেবানন নিয়ে কোনও ভিন্নতা নেই, আমেরিকার লক্ষ্য সেখানে লেবানন সরকারের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনা। রুবিও নিজেও দাবি করেছেন, সবাই প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই কাজ করছেন।

তবে বিশ্লেষকেরা এই যুক্তি মানতে নারাজ। থিংক ট্যাংক প্রতিষ্ঠান আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো মাইকেল রুবিনের মতে, মূল জায়গায় তারা দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন।

রাজনীতিতে আসার আগে ভ্যান্স সবসময় বিদেশি যুদ্ধকে অর্থ ও জীবনের অপচয় বলে সমালোচনা করে এসেছেন। অন্যদিকে রুবিও সিনেটর হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে ইরান, রাশিয়া ও কিউবার বিরুদ্ধে কট্টর অবস্থান নেওয়ার জন্য পরিচিত। সম্প্রতি শেষ হওয়া রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপ বলছে, মাত্র ৫২ শতাংশ রিপাবলিকান বিশ্বাস করেন যে বর্তমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে, যা দলটির মধ্যকার অভ্যন্তরীণ দ্বিধাদ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ।

সূত্র: রয়টার্স





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html