ডিসি স্টুডিওসের নতুন সুপারহিরো সিনেমা ‘সুপারগার্ল’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই ছবিটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম আয়ের মুখ দেখায়, ফলে এটি স্টুডিওর জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে হলিউডের ট্রেড রিপোর্টগুলো।
মার্কিন ও আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে ছবিটির ওপেনিং সংগ্রহ প্রত্যাশার তুলনায় অনেক নিচে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় বাজেটের এই প্রজেক্টটি প্রাথমিকভাবে যে বাণিজ্যিক সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল, তার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারবে না।
বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটির ব্যর্থতা শুধু একটি স্বতন্ত্র প্রজেক্ট হিসেবেই নয়, বরং নতুন করে গড়ে ওঠা ডিসি ইউনিভার্সের জন্যও একটি সতর্ক সংকেত। বিশেষ করে আগের সফলতা থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় ছবিতেই এমন পতন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
ডিসি স্টুডিওসের সহ-প্রধান পিটার সাফরান জানিয়েছেন, প্রত্যাশিত ফল না পেলেও এটি বৃহত্তর পরিকল্পনার একটি অংশ। তাঁর মতে, “এটি ডিসি ইউনিভার্সের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলেরই একটি ধাপ।”
তবে বক্স অফিস বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে চলমান অবস্থায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, যা সাম্প্রতিক সুপারহিরো চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
এদিকে সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং দর্শক আগ্রহের ঘাটতি—দুটিই ছবিটির বাণিজ্যিক দুর্বলতার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ‘সুপারগার্ল’ এখন ডিসি স্টুডিওসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার নাম হয়ে উঠেছে—যার ফলাফল ভবিষ্যতের সুপারহিরো সিনেমাগুলোর দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।