ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাহাড়ে ট্রেকিংয়ের সময় বাদাম না শুকনো ফল, শক্তি পেতে কী খাবেন?


August 30, 2026 8:55 pm
Link Copied!


পাহাড়ি পথে হাঁটা বা ট্রেকিংয়ে শরীরের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা যেমন ঠিক নয়, তেমনই একবারে বেশি খাবার খেলে হাঁটতেও অস্বস্তি হতে পারে। সঙ্গে হালকা খাবার রাখার ক্ষেত্রে অনেকের প্রথম পছন্দ শুকনো ফল ও বাদাম। তবে দু’টির কাজ এক নয়। পাহাড়ে চড়ার সময় কখন কোনটি খাবেন, তা জানা থাকলে অস্বস্তি এড়িয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া সম্ভব।

পর্বতারোহী প্রেমলতা অগ্রবালের মতে, উচ্চতায় ওঠার পর খাবারের বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে বেশি পরিমাণে বাদাম খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ কিশমিশ, খেজুর, শুকনো অ্যাপ্রিকট বা আঞ্জিরের মতো শুকনো ফলে সহজে ব্যবহারযোগ্য প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। এগুলি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে।

অন্য দিকে কাঠবাদাম, কাজু, পেস্তা, আখরোট বা চিনেবাদামে থাকে ফ্যাট ও প্রোটিন। ফলে এগুলি তুলনামূলক ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি উচ্চতায় অক্সিজেনের ঘাটতি, দৈনন্দিন অভ্যাসের পরিবর্তন এবং পর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার কারণে হজমশক্তিতে প্রভাব পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাদাম খেলে পেট ভার, গ্যাস বা বদহজমের সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসক সারং দেশপাণ্ডের মতে, দ্রুত শক্তির প্রয়োজন হলে কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার বেশি কার্যকর। খেজুর বা কিশমিশের মতো শুকনো ফল থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক চিনি দ্রুত গ্লুকোজ়ের জোগান দিতে পারে। অন্য দিকে বাদাম তাৎক্ষণিক শক্তির চেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য এনার্জি ধরে রাখতে বেশি কার্যকর।

তাই ট্রেকিংয়ের সময় শুধু বাদাম বা শুধু শুকনো ফলের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। দু’ধরনের খাবারই অল্প পরিমাণে সঙ্গে রাখা যেতে পারে। হাঁটার মাঝে খিদে পেলে কয়েকটি শুকনো ফল খাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় হাঁটার ক্ষেত্রে তার সঙ্গে অল্প বাদাম যোগ করলে শক্তির জোগানও বজায় থাকবে।

তবে পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি। একসঙ্গে অনেকটা না খেয়ে কিছুক্ষণ পর পর অল্প করে খাওয়াই ভালো। এতে পেট ভার হওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং হাঁটার সময় শরীরও তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকে।

আর একটি বিষয় কোনও ভাবেই ভুললে চলবে না পানি। শুকনো ফল বা বাদাম কোনোটিই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে না। পাহাড়ে হাঁটার সময় ঘাম ও পরিশ্রমের কারণে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। তাই তৃষ্ণা পাওয়ার অপেক্ষা না করে বিরতি নিয়ে অল্প অল্প করে জল পান করা উচিত।

ট্রেকিংয়ের আগে ও পরে খাবারের ক্ষেত্রেও ভারসাম্য রাখা দরকার। সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেট, পরিমিত প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে। আর হাঁটার সময় হাতের কাছে রাখতে পারেন অল্প শুকনো ফল ও বাদাম। দ্রুত শক্তির জন্য শুকনো ফল, আর তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী শক্তির জন্য বাদাম এই ভারসাম্যই পাহাড়ি পথে খাবার বাছার সহজ কৌশল।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html