ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নিহত সাংবাদিকের মা, বললেন ‘এ ক্যামন বিচার হলো’


September 2, 2026 10:00 pm
Link Copied!


১১ বছর পর রংপুরে সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৩টার দিকে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি হলেন রুবেল ওরফে হেকরম। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া দুজন হলেন এলিন ও শুভ কুমার। মামলার আরেক আসামি জহিরন আক্তারকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই পলাতক। নিহত মশিউর রহমান রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগের আলোর স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন।

তবে ওই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন মামলার বাদী ও নিহত মশিউর রহমান রহমানের মা নুরজাহান বেগম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দৈনিক যুগের আলো পত্রিকার কার্যালয়ে গিয়ে রাতে বাড়ি ফেরেননি মশিউর রহমান। পরদিন সকালে রংপুর নগরের ধর্মদাস এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় তার মা নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলায় পুলিশ আট জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। পরে ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। প্রায় ১১ বছর ধরে মামলাটির বিচারকার্য চলে। এ সময়ে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ রায় দেন।

রায় শুনে সাংবাদিক মশিউর রহমানের মা নুরজাহান বেগম আদালতের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘এ ক্যামন বিচার হলো। আমি ছেলে হত্যার বিচার কি পাবো না? আমি অবশ্যই উচ্চ আদালতে যাবো, আপিল করবো।’ একই কথা বলেছেন সাংবাদিক মশিউর রহমানের বোন। তিনি বলেন, ‘হত্যার মাস্টারমাইন্ড জহিরন আক্তার খালাস পেয়ে গেছেন। আমরা ন্যায়বিচার পাই নাই। আমরা ন্যায়বিচার চাই।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল হাদী বলেন, ‌‘মামলার অভিযোগ অনুযায়ী জহিরন আক্তার ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসকে হত্যার পরিকল্পনা করিয়েছিলেন। অথচ রায়ে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রাষ্ট্রপক্ষ সংক্ষুব্ধ এবং উচ্চ আদালতে আপিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘মামলায় মাস্টারমাইন্ড হিসেবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনিই খালাস পেয়েছেন। মশিউর রহমান মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করতেন। সেই কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এই রায়ে আমরা সংক্ষুব্ধ। ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো।’

এদিকে রায় নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনগুলোও। রংপুর সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘এই রায়ে সাংবাদিক সমাজ সন্তুষ্ট নয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক, আবার মূল হোতাও খালাস পেয়েছেন। সব মিলিয়ে এটি বিস্ময়কর একটি রায়।’

রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান ছালেক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘সাক্ষ্য-প্রমাণের ঘাটতির কারণে মূল অভিযুক্ত খালাস পেয়েছেন। এতে আমরা মর্মাহত। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html