ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে বর্ণাঢ্য নৌকাবাইচ, দুই তীরে লাখো দর্শনার্থীর ভিড়


September 13, 2026 6:30 am
Link Copied!


দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মুখর শান্ত তিতাস নদী। শরতের পড়ন্ত বিকালে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা দেখে উচ্ছ্বসিত লাখো মানুষ।  

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। এতে প্রথম স্থান অর্জন করে জেলার সদর উপজেলার ক্ষমতাপুর গ্রামের শাপলা বয়েজ ক্লাবের নৌকা। 

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০২৩ সালে তিতাস নদীতে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ভরা তিতাসে এ আয়োজন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর প্রাণের উৎসব। যাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে জেলার সর্বত্র। আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা আসেন নৌকাবাইচ উপভোগ করতে। 

দুই তীরে লাখো দর্শনার্থীর ভিড়

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও দর্শনার্থীদের ভিড় জমে দুপুরের আগ থেকেই। প্রতিযোগিতা শুরুর পর নদীর দুই তীর লোকারণ্য হয়ে উঠে। 

জেলা শহরের শিমরাইলকান্দি থেকে মেড্ডা এলাকা পর্যন্ত অংশে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ৯টি নৌকা অংশ নেয়। 

উচ্ছ্বল তিতাসের বুকে বাহরী রঙের নৌকার সুন্দইরা মাঝির বৈঠা গর্জে উঠার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনায় ফেঁটে পড়েন তিতাস পাড়ের মানুষজন। দুই তীরে দাঁড়িয়ে প্রতিযোগিতা উপভোগের পাশাপাশি প্রিয় দলকে সমর্থন জানান দর্শনার্থীরা।

বাইচ দেখতে আসা ইতালি প্রবাসী রনি আলম বলেন, “নৌকাবাইচ আমাদের প্রাণের উৎসব। আমি ঢাকায় ছিলাম। বাইচ দেখতে আজ সকালে অনেক কষ্ট করে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছি। নদীর দুই পাড়ে মানুষের উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করে এটি আমাদের প্রাণের উৎসব। সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে এই আনন্দ উৎসবে এসে।” 

আরেক দর্শনার্থী আল আমিন শাহীন বলেন, “নৌকাবাইচকে ঘিরে তিতাস পাড়ের মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। গোটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আজ উৎসবমুখর। আমরা আনন্দিত। আমরা চাই প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হোক।” 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, “নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা এখানকার মানুষের প্রাণের উৎসব। আগামী বছর থেকে আরও জমজমাটভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।” 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, “সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং এখানকার সংস্কৃতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এই নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রমাণিত হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটা সাংস্কৃতিক রাজধানী। নৌকাবাইচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যেরই অংশ। মানুষ চায় প্রতিবছর নৌকাবাইচ হোক। আমরা আশা করি আগামী বছর থেকে নিয়মিতভাবে এটি আয়োজন করতে পারবো।” 

পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। 

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রঞ্জন চন্দ্র দে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জহিরুল হক ও সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা। 

এদিকে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে দুপুর ২টার পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা এসে তিতাস নদীর তীরে জড়ো হয়।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html