বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসার সময় কমে আসায় এবার দোকানের ছাদকেই ছোট ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিণত করতে চান ব্যবসায়ীরা। দেশের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে নিজেদের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের কাছে ২ শতাংশ সুদে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি বিশেষ ঋণসহায়তা চেয়েছে সংগঠনটি।
ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগ এমন সময়ে সামনে এলো, যখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে। অনেক এলাকায় সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ব্যবসার সময় আরও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব সরাসরি পড়ছে ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ওপর।
দোকান মালিক সমিতির নেতারা মনে করছেন, এই সংকটের একটি বিকল্প সমাধান হতে পারে মার্কেটের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন। তাদের হিসাবে, দেশের হাজার হাজার মার্কেটের অব্যবহৃত ছাদ কাজে লাগানো গেলে একদিকে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে, অপরদিকে ব্যবসায়ীদের বিদ্যুৎ ব্যয়ও কমতে পারে।
ছাদ হবে ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র
রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন।
তাদের দাবির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে— মার্কেট ও বিপণিবিতানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) মাধ্যমে ২ শতাংশ সুদে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া।
ব্যবসায়ীদের যুক্তি, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে শুরুতে বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন। ছোট ও মাঝারি মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পক্ষে একসঙ্গে সেই অর্থ বিনিয়োগ করা কঠিন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প সুদের ঋণ পাওয়া গেলে কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘২ শতাংশ সুদে পাঁচ বা সাত বছরের ঋণ দেওয়া হলে দ্রুততম সময়ে দেশের বিভিন্ন মার্কেটে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা সম্ভব হবে। তার দাবি, এভাবে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হতে পারে।’’
তিনি বলেন, ‘‘দোকানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা গেলে একদিকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যুৎ সংকট থেকে রেহাই পাবে, অপরদিকে সরকারের ওপর বিদ্যুৎ সরবরাহের চাপও কমবে।’’ তার হিসাবে, ২০০ দোকানের একটি মার্কেটের ছাদে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব। এতে ওই মার্কেটকে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিতে হবে না, বরং উৎপাদনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ খাতে সরকার যে পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে, তার একটি অংশ যদি মাত্র ২ শতাংশ সুদে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য ব্যবসায়ীদের দেওয়া হয়, তাহলে চার বছরের মধ্যেই সেই অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব। একইসঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করা সম্ভব হবে।’’
হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘‘বর্তমানে কোনও মার্কেটে মাসে প্রায় ৭ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল এলে— সেখানে ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলে, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে। এতে ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ বিলের বড় ব্যয় থেকেও সাশ্রয় করতে পারবেন। পাশাপাশি উৎপাদন পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।’’
বিদ্যুৎ বিলের বদলে আয়
দোকান মালিকদের পরিকল্পনায় শুধু নিজেদের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের বিষয়টিই সীমাবদ্ধ নেই। বরং ছাদে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আয় করার সুযোগও চান তারা।
সরকারের বর্তমান নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় কোনও গ্রাহক নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারেন। এর বিপরীতে নির্ধারিত নিয়মে মূল্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রচারণায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ শুরু করলে— প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সরবরাহ করা বিদ্যুতের মূল্য নির্দিষ্ট সময় পরপর ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে।
এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চান দোকান মালিকরা। তাদের হিসাব হলো, দিনের বেলায় মার্কেটের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো গেলে গ্রিড থেকে কেনা বিদ্যুতের পরিমাণ কমবে। আর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া গেলে সেটি থেকে আয় হবে। অর্থাৎ, মার্কেটের ছাদ শুধু ভবনের অংশ হিসেবে থাকবে না, সেটি হয়ে উঠবে একটি উৎপাদনশীল সম্পদ।
বিদ্যুৎ সংকটেই বাড়ছে আগ্রহ
সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে আগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে চলমান বিদ্যুৎ সংকট। দোকান মালিক সমিতি বলছে, অনেক এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা থেকেই লোডশেডিং শুরু হয়। ফলে রাত ৮টায় দোকান বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের আগেই অনেক ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ সংকটে পড়ছেন।
বিদ্যুৎ না থাকলে শুধু আলো জ্বালানো বন্ধ থাকে না— অনেক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার, ফ্রিজ, এসি, লিফট, লাইটিং, সিসিটিভি, ইন্টারনেটসহ নানা ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। বিদ্যুতের ওঠানামায় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
এ অবস্থায় নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকলে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা অন্তত দিনের একটি বড় সময় গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবেন বলে মনে করছেন সংগঠনটির নেতারা।
ঋণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের দাবি
দোকান মালিক সমিতি শুধু অর্থায়নের দাবি জানায়নি। সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প যাতে নিম্নমানের সরঞ্জাম ও অদক্ষ প্রতিষ্ঠানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, সৌর প্যানেলের মান নিশ্চিত করতে বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক করতে হবে। নিম্নমানের প্যানেল বা সরঞ্জাম ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এ ছাড়া সৌর প্যানেল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সের আওতায় আনা এবং নিয়মিত সার্ভিসিং নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সমিতি।
কারণ, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে শুধু প্যানেল বসানোই শেষ কথা নয়। প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়। দক্ষ কারিগরি সেবা না থাকলে শুরুতে বড় বিনিয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ উৎপাদন পাওয়া কঠিন হতে পারে।
সরকারের শুল্ক ছাড়ে কমতে পারে ব্যয়
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের জন্য আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো— সরকারের সাম্প্রতিক শুল্ক-কর সুবিধা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও এ সুবিধা পাবেন। নতুন সুবিধাটি ১৮০ দিনের জন্য কার্যকর থাকার কথা জানিয়েছে এনবিআর।
এতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় কিছুটা কমার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের কাছে মূল প্রশ্ন এখন অর্থায়ন। কারণ আমদানি ব্যয় কমলেও প্যানেল স্থাপন, ইনভার্টার, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হবে।
দুই হাজার মেগাওয়াটের লক্ষ্য কতটা বাস্তব
দোকান মালিক সমিতি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনার কথা বলেছে। লক্ষ্যটি বড় হলেও দেশের বিপুলসংখ্যক মার্কেটের ছাদ কাজে লাগানো গেলে রুফটপ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা তৈরির সুযোগ রয়েছে।
তবে এর জন্য প্রয়োজন হবে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা। কোন মার্কেটের কতটুকু ছাদ ব্যবহারযোগ্য, কত কিলোওয়াট বা মেগাওয়াট প্যানেল বসানো যাবে, প্রকল্পের ব্যয় কত, ঋণের কিস্তি কত হবে এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের কতটা নিজস্ব কাজে ব্যবহার করা যাবে— এসব হিসাব আগে করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় আরও এসেছে— বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সূর্যের আলোর ওপর নির্ভরশীল। বর্ষাকালে বা মেঘলা দিনে উৎপাদন কমে যেতে পারে। আবার রাতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না। তাই ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।
দোকান বন্ধের সময় নিয়েও প্রস্তাব
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সঙ্গে দোকান বন্ধের সময়ের বিষয়টিও যুক্ত করেছে দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যেসব মার্কেট নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবে, তাদের রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করা হোক।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, তারা যদি নিজেদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করেন এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে পারেন, তাহলে তাদের ব্যবসার সময় বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া উচিত।
এ ছাড়া কোনও এলাকায় লোডশেডিং দেওয়ার অন্তত এক দিন আগে গ্রাহকদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানোর দাবিও করেছে সংগঠনটি। এতে ব্যবসায়ীরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারবেন এবং বিদ্যুৎনির্ভর যন্ত্রপাতি রক্ষার ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে মনে করছে সমিতি।
বাস্তবায়নে দরকার সমন্বিত উদ্যোগ
দোকান মালিকদের প্রস্তাব বাস্তবায়নে ইডকল, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মধ্যে যৌথ চুক্তির দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সমস্যা ও অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য একটি রেগুলেটরি বোর্ড গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের পরিকল্পনা সফল হলে দেশের বিভিন্ন শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মার্কেটগুলোকে বিকেন্দ্রীভূত বিদ্যুৎ উৎপাদনের ছোট ছোট কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব হতে পারে। এতে একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো, জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
তবে এর জন্য শুধু ঋণের ঘোষণা যথেষ্ট নয়। সহজ শর্তে অর্থায়ন, মানসম্মত সরঞ্জাম, দক্ষ কারিগরি সেবা, দ্রুত সংযোগ, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ কেনার নিশ্চয়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিরতা—সবগুলো বিষয় একসঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে।
বিদ্যুৎ সংকটের সময়ে তাই দোকান মালিকদের প্রস্তাবটি নতুন একটি সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। দেশের হাজার হাজার মার্কেটের ছাদ যদি সত্যিই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানো যায়, তাহলে ভবিষ্যতে ‘দোকানের ছাদ’ শুধু ব্যবসার জায়গা নয়, জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থারও একটি অংশ হয়ে উঠতে পারে।