ঢাকাSaturday , 13 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সমুদ্রের তলদেশে প্রাচীন তিমির কবরস্থানে প্রাণের মেলা


June 13, 2026 7:15 am
Link Copied!


ভারত মহাসাগরের তলদেশে লাখ লাখ বছরের পুরোনো এক তিমির কবরস্থানে সন্ধান মিলেছে জেলিফিশ, টিউবওয়ার্ম ও ব্রিটল স্টারের মতো এক প্রাণবন্ত জীববৈচিত্র্যের। দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের তলদেশে প্রায় ২৩ হাজার ফুট (৭ কিলোমিটার) গভীরে অবস্থিত এই স্থানটি এ যাবৎকালে আবিষ্কৃত তিমির সবচেয়ে বড়, গভীরতম ও প্রাচীনতম কবরস্থান।

তিমির মৃতদেহ সাগরের তলদেশে পড়লে তা সামুদ্রিক জীবেদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পুষ্টিকর খাবারে পরিণত হয়। চীনা অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের জীববিজ্ঞানী শিকুন সং জানান, তিমির বিশাল আকার এবং এর হাড়ের অনন্য রাসায়নিক গঠনই পানির নিচে এমন এক চমৎকার জীব সম্প্রদায় গড়ে তোলার মূল চাবিকাঠি। তবে গভীর সমুদ্রের চরম পরিবেশের কারণে বিজ্ঞানীদের জন্য এই স্থান খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল।

২০২৩ সালে একাধিক গভীর-সমুদ্র ডুবোজাহাজ অভিযানের মাধ্যমে গবেষকেরা সেখানে পাঁচটি কঙ্কাল ও ফসিল খুঁজে পান, যার মধ্যে বিকড ও বেলিন তিমির মাথার খুলিও রয়েছে। এখানকার সবচেয়ে প্রাচীন হাড়টি প্রায় ৫৩ লাখ বছর পুরোনো।

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই কঙ্কালগুলোর ওপর নির্ভর করে সমুদ্র শসা, স্কোয়াট লবস্টার ও নোনা জলের ক্ল্যামসহ ছোট-বড় অসংখ্য প্রাণী বেঁচে আছে, যার মধ্যে অনেক প্রজাতিই পৃথিবীতে প্রথমবার দেখা গেছে।

লাখ লাখ বছর ধরে এই হাড়গুলো টিকে থাকার কারণ হলো, এগুলো হাড়-খেকো কৃমিদের আক্রমণ সহ্য করার মতো ঘন এবং সাগরের খনিজের হালকা আস্তরণ এগুলোকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করেছে।

কিন্তু এত তিমি একসঙ্গে এখানে মারা গেলো কেন? গবেষকদের মতে, তিমিগুলো স্বাভাবিক কারণে বা গভীর সমুদ্রে ডাইভিংয়ের ক্লান্তিতে মারা যেতে পারে। এছাড়া এই অঞ্চলের ‘ভি’ আকৃতির ভৌগোলিক গঠনের কারণেও মৃতদেহগুলো স্রোতের টানে এখানে জমা হতে পারে।

ইতালির পিসা ইউনিভার্সিটির জীবাশ্মবিদ জিওভানি বিয়ানুচ্চি বলেন, আলো ও অক্সিজেনের তীব্র অভাব এবং পানির অবিশ্বাস্য উচ্চ চাপের মধ্যেও জীবন কীভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে খাপ খাইয়ে নেয়, তা বুঝতে এই তিমির কবরস্থান নিয়ে গবেষণা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: এপি





Source link

🔴 LIVE html