ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অ্যান কারসনের পাঁচটি গদ্যকবিতা

UttorbongoBD
October 16, 2026 9:55 am
Link Copied!


অ্যান কারসন অ্যান্টিকুইটি, শিল্প ও সাহিত্যের ভেতর অভূতপূর্ব মেলবন্ধন প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার গদ্যকবিতা হাইব্রিডিটির শৃঙ্গ স্পর্শ করেছে। তিনি এবছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। তার সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ ‘রং নর্মা’ (২০২৪) থেকে কবিতাগুলো সংগৃহীত হয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কের শনিবার রাত

আমরা সত্যিই চাই, ওরা আমাদের পছন্দ করুক। চাই, সবকিছু ভালোয় ভালোয় মিটে যাক। আমরা একটু বেশিই সেজেগুঁজে থাকি। ওরা সরু গড়নের মানুষ (শিল্পী ঘরানার), নির্লিপ্ত, পরনে লিনেনের পোশাক। গ্রীষ্মের শুরুর দিক, প্রথম তপ্ত সপ্তাহান্ত। রাস্তায় আমাদের দেখা হয়, চুমুতে মিশে যাই আর আমরা কি দেরি করে ফেলেছি? ওরা দেরি করেছিল, আমরা প্রায় চলেই যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম, যাকগে। রাস্তার ওপাশের ওই জায়গাটা, মনে হয় একবার আমরা ওখানে গিয়েছিলাম, দেখতে বন্ধই মনে হচ্ছে, লেখা আছে খোলা, বেশ। লোকজন বেরিয়ে আসছে। বেশ। ভেতরটা অন্ধকার, শীতল, ওক কাঠের সাজসজ্জায় ভরা। দেখা গেল, ওরা মালিককে চেনে। মালিক হাসিমুখে এগিয়ে আসেন, আমাদের সাদরে ভেতরে নিয়ে যান, আমরা বসি। আর সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারি, দুটো ব্যাপার, প্রথমত, আওয়াজটা অসহ্য, দ্বিতীয়ত, আমরা কেউই অপরজনকে এতটা ভালো চিনি না যে বলে ফেলতে পারি, বাদ দাও, চলে যাই। আমাদের হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আঙুল দিয়ে দেখিয়ে খাবার অর্ডার করি এবং টেবিলের দুই পাশে বসে আমরা দুজন দুটো চিৎকাররত দলে পরিণত হই। ওদের দুজনকেই ক্লান্ত দেখায়, আমার ধারণা, সারাদিন শিল্পচর্চা, তারপর নতুন শিশুর দেখভালের জন্যই। আমরা এমন মন দিয়ে খেতে থাকি, যেন খাওয়াটাই কথোপকথন। আমরা বারবার একে অপরের দিকে পাউরুটি এগিয়ে দিই। আমার মাছটা কাঁটা ছাড়ানো অবস্থায় আসে, আমি কেঁদে ফেলি। অ্যালার্জি হয়েছে বলে ভান করি। শেষে কেউ একজন বিল মেটায়। আমরা পালিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসি। কোনো কারণে বাইরে বেরিয়ে তুষারপাত দেখব বলে আশা করছিলাম। কিন্তু কোথাও তুষার নেই। আমরা সিদ্ধান্ত নিই আইসক্রিম খেতে আর যাব না এবং হঠাৎ করেই আলাদা হয়ে যাই, আরও একটু ভাঙাচোরা হয়ে।

প্রাপ্তবয়স্কের শনিবার রাত, তাহলে, ব্যাপারটা এই-ই। আমরা ভেবেছিলাম, আমরা হব নিক আর নোরা, তাদের সেই ঝাপসা, ভারী ওভারকোট পরা বন্ধুদের মতো নয়। আমরা আমাদের আত্মার গভীরে আমাদের কান ঢেকে রাখি। কিন্তু এভাবে তো এসব থামিয়ে রাখা যায় না।

সমগ্রতা সম্পর্কে কী বলা যায়

সমগ্রতা সম্পর্কে কী বলা যায়? সমগ্রতাকে ক্ষুদ্রতর হতে হবে। এতটাই ক্ষুদ্র, যাতে সে সম্পর্কে কিছু বলা যায়। মানুষ? তুমি যে লোকটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলে ঝুলিয়ে রেখেছ, তার বুকের ভেতরেই যদি আগে থেকে ব্যথানারসের এক ক্ষুরমারি ঘুরে বেড়ায়, তাহলে? তুমি কি সেটাকে তার নিজের দোষ বলে গণ্য করো? সত্যিই কি এটিকে নিকৃষ্টতর করে তোলার দরকার আছে তোমার? তুমি কি নিজেকে একটা প্রস্রবণ বলে ভাবো? অবশ্যই, এগুলো স্বতন্ত্র প্রশ্ন। মৃত স্যামন মাছ ও তাম্রখনির বর্জ্যের মতো আলাদা। তাহলে এ পৃথক্‌করণ, অবেদন—এসব আমাদের একটু তলিয়ে দেখা উচিত। মানুষ। তুমি কি নিয়ন্ত্রণ করতে পারো? ভুলভাল প্রশ্ন। সময়ের বাস্তবতা না হারিয়েই তুমি কি সবকিছুকে জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে পারো—সেই সময়কে, যা হাস্যাশ্রুর অবিরাম ফোঁটায় ফোঁটায় ঝরে পড়ছে? কোথা থেকে শুরু করবে? মাঝখান থেকে শুরু করো (কেন, সেটাও ভাবো), যাতে শেষ পর্যন্ত আবার সেখানেই গিয়ে থাকতে না হয়—যেখানে, উদাহরণস্বরূপ, এত বছরের পরিশ্রমের পর নির্যাতন বিষয়ক প্রতিবেদনটি গিয়ে ঠেকেছিল। তুমি কী চাও তা জানতে হবে; কী ভাবো তা জানতে হবে; কোথায় যেতে হবে তা জানতে হবে। আসলে নিউ ইয়র্ক শহর। আমরা এখানে এসে গেছি। পাশ দিয়ে ট্রাকগুলো ধাক্কা খেতে খেতে ছুটে যায়। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকের শব্দ আরও জোরালো, নাকি ওটা ছিল দেবতাদের দড়াম করে বন্ধ করা আরেক সারি দরজার শব্দ? দেবতারা ভিজে একাকার; নিজেদের সিংহাসনে বসে তাঁরা পায়ের আঙুলগুলো গুটিয়ে তুলেছেন, যেন তারা জানেনই না কেন এসব ঘটছে। আহা, বেচারা বুড়ো ফুলবাবুরা।

সামান্য কোলাহল

রবিবার সন্ধ্যা, ধূসরের ওপর ধূসর। সারাটা দিন ঝড় ওঠেনি ঠিক। মেঘেরা ঘনীভূত হলো, গোমড়া মুখে থাকল ও থুতু ফেলল। আমরা সাঁতার স্থগিত রাখলাম। চেয়ারগুলো তুলে রাখলাম। অবশেষে (প্রায় সাতটার দিকে) আকাশের অনেক ওপর থেকে ভেসে এলো গুরুগুরু গর্জন। এক ঝাপটা হাওয়া গাছগুলোকে ঝাঁকিয়ে গেল, প্রতিটি গাছকে একবার করে দুলিয়ে, নিচের দিকে নামিয়ে দিল শীতল বাতাসের ছোটো ধারা এবং এ হাওয়া, হাওয়ার বুকেই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে, টুকরোগুলো দুলতে দুলতে, নেমে আসতে আসতে, উঠোনের এদিক-ওদিক ধাক্কা খেতে খেতে কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়াল। তখনও ঠিক বৃষ্টি নয়—যতক্ষণ না হঠাৎ একটি মাত্র ঝংকার ছাদের ওপর দিয়ে, বারান্দার ওপর দিয়ে, ভিজিয়ে দিয়ে ছুটে গেল, তারপর—থেমে গেল। আমরা শ্বাস নিলাম। হয়তো এ পর্যন্তই। হয়তো সব শেষ, আজকাল আবহাওয়ার পূর্বাভাসদাতা প্রায়ই ভুল বলেন। আমরা এখনও সাঁতার কাটতে যেতে পারি (এক ঝলক রোদ কি দেখা গেল?)। ঠিক তখনই হঠাৎ জলকপাট খুলে গেল, জমাট বাঁধা একটা গিঁট ছিঁড়ে গেল, আর আকাশটা দুমড়ে-মুচড়ে চুরমার হয়ে পড়ল; আর তা পড়তেই থাকল, এখনও পড়ছে, যখন অন্ধকার নেমে আসছে এবং কিংবদন্তির সেই রাত্রি তার কেশর সামলাতে ব্যস্ত এবং পাখিদের সামান্য কোলাহল থেকে আমি শুনতে পাচ্ছি, পাখিরা পবিত্র উন্মাদের মতো ওপর-নিচে জ্বলে পুড়ছে এর ভেতরে কোথাও, দূরে গভীর অন্তঃস্থলে, যেখানে তারা শিকারটিকে ধরে রাখে—প্রলিপ্ত, দুর্গন্ধময়; তাই এ আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন, তাই এ কর্কশ চিৎকার, বারবার বোলো না যে তুমিও তা শুনতে পাচ্ছ না।

ভুল নর্মা

ভুল রাত, ভুল শহর, ভুল সিনেমা, ভুল অ্যাম্বুল্যান্সগুলো কর্কশ আওয়াজ তুলে পাশ দিয়ে ছুটে যায়, চাপিয়ে রাখে ভুল নর্মা ডেসমন্ডের ভুল সংলাপ, এর চেয়ে আর কীই-বা ভুল হতে পারে—তার বয়সও আমারই সমান—এই হেলে-পড়া ধ্বংসস্তূপ, যার রয়েছে আর্দ্রতাগ্রাহী চিবুক—আমি সিনেমাটা বন্ধ করি, সুপ্ খাই, একটা উপন্যাস পড়ি। চিন্তারা ধীরে ধীরে আসে আর চলে যায়। কেউ ফোন করে না। আমি নিরাপদ, তবে সে নিরাপত্তা স্থায়ী হবে না। আমি অতীতে ভেসে যাই, বিশ বছর আগেও কি নির্মল থাকা সম্ভব ছিল না? শুধু দরজাটা বন্ধ করে একটি বিষয় নিয়েই ভাবা—চাঁদ, ফুটপাতের কিনারা, এট্রুরিয়া। যা হোক, স্ব-সত্তারই জয় হয়। সত্তার “এস” জিতে যায়। একসময় স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে বাঁকানো হরফে “এস” লিখতে আমার ভালো লাগত, প্রতিবারই অক্ষরটা হতো স্বতন্ত্র, সমুদ্রসৈকতের প্রতিটি ঝিনুক-খোলেরও কি ব্ল্যাকবোর্ড আছে, এখনো কি বাঁকানো হাতের লেখা শেখানো হয়? আমি সকালের জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। ওয়েস্ট থার্ড স্ট্রিটে রবিবারের সকাল আমার সবচেয়ে প্রিয় সময়। কোনো গাড়ি নেই। গাছের শাখাগুলো নিরাভরণ। ভোর সবুজাভ ও শীতল এবং আমার বিপরীত দিকের ছাদে নিউ ইয়র্ক শহরের সেই কিংবদন্তিতুল্য জলাধারের ট্যাংকগুলো—বিশাল সাদা ধোঁয়া মিল্টনীয় মহিমায় স্বর্গের দিকে উঠে যাচ্ছে।

প্রিয় ক্রিতো

প্রিয় ক্রিতো, আজ এসো না। যদি আসো তাহলে আমাকে ঘুমিয়ে থাকার ভান করতে হবে, অথবা লজ্জিত হওয়ার ভান করতে হবে, অথবা কেন আমি আমার স্ত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। চোখের জল তো যে কাঁদছে তারই ব্যাপার, তাই না? আমার মেয়েটার অনেক বুদ্ধি। সে এখানে এসেছিল, চারদিকে একবার চোখ বুলিয়ে বলল, এ জায়গাটা সত্যিই স্যাঁতসেঁতে, তোমার একটা টুপি দরকার, আধঘণ্টা পর সে গত শীতে তুমি আমাকে যে পশমের টুপিটা দিয়েছিলে, সেটা নিয়ে ফিরে এলো। ব্যাবহারিক বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে আমি পছন্দ করি। তিনদিন পরই আমার মৃত্যুর ক্ষণ ধার্য হয়েছে। তোমার কিছুই করার নেই। তবে হেমলক জোগাড় করে দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে দাও। জানি, ঘুস আর করের খরচ মিটিয়ে ওটা সস্তায় জোগাড় করা যায়নি—এ দেশে ওরা জিনিসটা নিজেরাই চাষ করতে পারে না কেন?—কিন্তু ঈশ্বরের দোহাই, অন্য পদ্ধতিটার চেয়ে এটা অনেক ভালো, সেই তথাকথিত রক্তপাতহীন ক্রুশবিদ্ধকরণ, যেখানে কাঠের খুঁটি আর লোহার বেড়ি ব্যবহার করা হয়। এভাবে আরেকজন মানুষকে মরতে কেউ দেখতে চায় না—ক্রিতো, তুমি বছরের পর বছর দুঃস্বপ্ন দেখে বেড়াতে। আর একেবারে অবশ হয়ে যাওয়ার ধারণাটাও আমার কিছুটা ভালোই লাগে। আমার স্ত্রীর মতে আমি নাকি বছরের পর বছর ধরেই অনুভূতিহীন—ওকে সহ্য করার একমাত্র উপায় ছিল সেটা, আহা, কথাটা নিষ্ঠুর হয়ে গেল। আমি বছরের পর বছর নিষ্ঠুর আচরণ করে এসেছি, অন্তত বাড়িতে, মজার ব্যাপার নিজের সবচেয়ে খারাপ সত্তাটা সেখানেই বেরিয়ে আসে।

আমার জীবন তো বন্ধুদের নিয়েই, তুমি জানো! বন্ধু আর মদ্যপান। আমি বক্তা। কথাবার্তায় আমার বিশ্বাস রয়েছে—সমস্ত ঢাকনা খুলে ফেলো! সমস্ত থলের বিড়ালকে বেরিয়ে আসতে দাও!—যদিও আমার বলা কথার বেশির ভাগই স্রেফ সাধারণ বুদ্ধির কথা। আমি কি মানুষকে ভয় পাইয়ে দিই? যখন বলি, পেছনের দেয়াল বলে কিছু নেই? তোমার আর তোমার অন্তরের অন্ধকারের মাঝখানে কিছুই নেই? কিংবা যদি কিছু থেকেও থাকে, তুমি তার কাছে প্রার্থনা করতে পারবে না, তাকে নিয়ে কবিতা লিখতে পারবে না, তার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতাও করতে পারবে না। সেখান থেকে ভয়ংকর সব পরিকল্পনা আর অস্তিত্বহীনতার গন্ধ বেরোয়। দুঃখিত, নাটকীয় হয়ে গেল। ভয়ংকর পরিকল্পনার কথা যখন উঠলই, প্লেটোকে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসতে দিও না। সে পুরোনো দিনের আমার বলা কথাগুলো উদ্ধৃত করতে শুরু করবে, সেসব শুনতে গেলেই আমার গা শিউরে ওঠে। অথবা সে আইনকানুন নিয়ে ভাষণ দেবে। আপনাকে আইন মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে না, দিচ্ছে আইনজীবীরা, সে বলবে আর আমি বলব, পার্থক্যটা তবে চমৎকার। তারপর সে রাজহাঁস অথবা শরীরচর্চা নিয়ে অথবা কে জানে আর কী নিয়ে বকবক করতে থাকবে, বলতেই থাকবে, বলতেই থাকবে, বলতেই থাকবে—আমাদের প্রিয় প্লেটোর সঙ্গে যখনই কথা বলি, মনে হয় আমি যেন অনন্তকালের দিকে ভেসে চলেছি, তুমি জান আমি কী বলতে চাই। অথবা না-ও জানতে পার। তুমি অদ্ভুত ধরনের মানুষ, ক্রিতো। তোমার ছোট্ট সোনালি চোখ আর লিকলিকে হাত দেখে বব ডিলানের কথা মনে পড়ে। আর তুমি তর্ক করতে দারুণ ভালোবাসো, ঠিক বলছি তো? কবে থেকে তর্কবিতর্ক নিয়ে ভাবনা-চিন্তা থামিয়ে দিলাম? কারণ সত্যিই, আমি থেমে গেছি। আমার মনটা এখন পাউরুটির মতো ফাঁকা। হয়তো এখানকার একটানা গুনগুন শব্দটার জন্যই এমন হচ্ছে। ওই গুনগুনানি, শুনতে পাচ্ছ? শব্দটা কি দেয়ালের ভেতর রয়েছে, নাকি আমার কানের ভেতর? কণ্ঠস্বর, কণ্ঠস্বর, সব সময়ই এগুলো আছে, কথাহীন কণ্ঠস্বর। সেই গুনগুনানি অন্য সব ধ্বনিকে চাপা দিয়ে রাখে। পুরোনো দিনের কথা মনে আছে যখন বন্দিদের মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার জন্য সারা রাত ইগি পপের গান বাজানো হতো? তখন যুদ্ধ চলছিল; এখন সেই জানোয়ারটা ঝিমোচ্ছে। যা হোক, তুমি এখানে থাকলে হয়তো তোমার কথা আমি ঠিকমতো বুঝতেই পারতাম না—আবার অন্যদিকে, আমার প্রিয় ক্রিতো, যদি তুমি এসেই পড়ো, ওই পশমের টুপিগুলোর আরেকটা কি নিয়ে আসতে পারবে? আমার টুপিটা প্রহরীকে দিয়েছি। তাকে দুর্দশাগ্রস্ত দেখাচ্ছিল। এ জায়গাটা সত্যিই স্যাঁতসেঁতে।
(কারাগার থেকে সক্রেটিসের লেখা চিঠি)

গৌরাঙ্গ মোহান্ত কবিতা ও প্রবন্ধ লেখেন। তিনি রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা নিয়ে গবেষণা করেছেন। বর্তমানে ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়ান।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html