ঢাকাTuesday , 27 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের


October 27, 2026 5:10 pm
Link Copied!


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন মডেল ও সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড বিয়াট্রস কিউল। ডেমোক্রেটিক পার্টির তৈরি একটি প্রতিবেদনে এ অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস।

২০২৪ সালের নির্বাচনের ঠিক আগে কিউল দাবি করেছিলেন, ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে ট্রাম্প তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করেছিলেন। এবার তিনি অভিযোগ করেছেন, ওই ঘটনার সময় ট্রাম্প তাকে ধর্ষণও করেছিলেন। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জেফরি এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে ট্রাম্পের কথিত সংযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেটদের তদন্তের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস প্রতিবেদনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এক মুখপাত্র অভিযোগগুলোকে উন্মাদ ডেমোক্রেটদের মরিয়া চেষ্টা বলে বর্ণনা করেছেন। তার ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঐতিহাসিক অর্জনে রিপাবলিকানদের যে জোয়ার চলছে, তা থেকে আমেরিকানদের দৃষ্টি সরাতেই এ চেষ্টা। মুখপাত্র আরও বলেন, এপস্টেইন-সংক্রান্ত যেকোনও বিষয়ে ট্রাম্প পূর্ণ দায়মুক্তি পেয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কমিটির ডেমোক্রেটিক কর্মীদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ ধরে সাক্ষাৎকারে কয়েল জানান, তার বয়স তখন ২৪। নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই সময় হোটেলটির মালিক ছিলেন ট্রাম্প।

কয়েলের ভাষ্য, ট্রাম্প তাকে ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে (এনওয়াইইউ) ভর্তির নিশ্চয়তা দিতে পারবেন বলেও জানান। প্রতিবেদনে উল্লিখিত দাবি অনুযায়ী, ট্রাম্প তাকে বলেছিলেন, আমি তোমার দেখভাল করবো।

কয়েল বলেন, ট্রাম্প আলাপ থেকে সরে যাওয়ার পরপরই এপস্টেইন তার কাছে আসেন। নিজেকে ডনের সেরা বন্ধু পরিচয় দিয়ে তিনি কয়েলকে মার-আ-লাগোর একটি পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান। এপস্টেইন নাকি তাকে বলেছিলেন, আমরা ডনের সঙ্গে অনেক পার্টির আয়োজন করি। ট্রাম্প বলে আসছেন, কোনও অপরাধের সন্দেহ তৈরি হওয়ার অনেক আগেই তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বারবার এপস্টেইনকে ঘৃণ্য ব্যক্তি বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তাকে নিজের মার-আ-লাগো ক্লাব থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

ডেমোক্রেটদের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরে ট্রাম্পের এক প্রতিনিধি কয়েলকে প্লাজা হোটেলের ওপরতলায় ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে আমন্ত্রণ জানান। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঘরে ঢোকামাত্র ট্রাম্প কয়েলকে পেছন থেকে জাপটে ধরে জোর করে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার পোশাক ছিঁড়ে যায় এবং শরীরের একাধিক জায়গায় রক্তক্ষরণ ও কালশিটে পড়ে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কয়েল ধর্ষণকে নৃশংস বলে বর্ণনা করেছেন।

কথিত হামলার পর ট্রাম্প তাকে বিছানার প্রান্তে বসিয়ে ভিসা ও এনওয়াইইউতে ভর্তির প্রতিশ্রুতি আবার দেন এবং চুপ থাকার প্রতিশ্রুতি আদায় করেন বলে কয়েলের অভিযোগ। এ সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, শো অবশ্যই চলতে থাকবে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথম অভিযোগে কয়েল বলেছিলেন, ১৯৯৩ সালে প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করেছিলেন। ডেইলি মেইলকে তখন তিনি বলেছিলেন, তিনি আমার ঠোঁটে ও ঘাড়ে চুমু খান। আমার পোশাক তোলার চেষ্টা করেন। যেখানে পেরেছেন, আমার শরীর আঁকড়ে ধরছিলেন ও স্পর্শ করছিলেন।

তবে তিনি তখন বলেছিলেন, ঘটনা আর এগোয়নি। তার ভাষ্য, আমি সাধ্যমতো সবকিছু চেষ্টা করেছি। শেষে আমি বললাম, আগে কথা বলি বা এ ধরনের কিছু। তখন তিনি ধীর হয়ে গেলেন। ৬ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা এই সাবেক মডেল ইঙ্গিত দেন, তার উচ্চতাই তাকে বাঁচিয়েছিল, নইলে কথিত হামলা আরও গড়াতো।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, কয়েলের এক দীর্ঘদিনের বন্ধু জানিয়েছেন, ট্রাম্পের অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণের এ গল্প কয়েল ২০ বছর আগে প্রথম তাকে বলেছিলেন এবং এত বছরেও তার বর্ণনায় কোনও পরিবর্তন আসেনি। তখন ট্রাম্পের তৎকালীন প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট অভিযোগগুলোকে ভুয়া বলে অভিহিত করেছিলেন।

নতুন প্রতিবেদনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা আরও চার নারীর বক্তব্যের সারসংক্ষেপও রয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, প্লাজা হোটেলের ওই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাকে ট্রাম্প, এপস্টেইন ও অন্যরা অসহায় তরুণী ও কিশোরীদের শিকারের মৃগয়াভূমি হিসেবে ব্যবহার করতেন।

প্রতিবেদনের সঙ্গে দেওয়া এক বিবৃতিতে কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য জেমি রাসকিন বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে বা তার উপস্থিতিতে পাঁচ নারী সরাসরি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন। অন্যরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এপস্টেইন বা ম্যাক্সওয়েল তাদের ট্রাম্পের কাছে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করতে ট্রাম্পের বিচার বিভাগ এসব অপরাধ ধামাচাপা দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html