ঢাকাTuesday , 23 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকিস্তানের সৌর বিপ্লব থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ আছে: সিপিডি


June 23, 2026 3:55 pm
Link Copied!


বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে গতিশীল করতে নীতিগত সংস্কার, কর ও শুল্ক হ্রাস এবং সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ‘সৌর বিপ্লব’ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার ক্ষেত্র হতে পারে, বিশেষ করে রুফটপ সোলার ও বিতরণভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে।  

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তানে সৌর বিপ্লব: জাতীয় বাজেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা’ শীর্ষক এক সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।  

সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।  

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, “পাকিস্তানে স্বল্প সময়ে সৌরবিদ্যুতের বিস্তৃত ব্যবহার বিদ্যুৎ খাতের চিত্র বদলে দিয়েছে। বাংলাদেশও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে।”  

তিনি জানান, এবারের বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) ও ব্যাটারি শিল্পে কিছু কর ও রাজস্ব সুবিধা রাখা হয়েছে। তবে কৃষি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।  

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদ ব্যবহার করে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।”  

সংলাপে উপস্থাপিত ‘সোলার রাশ’ শীর্ষক প্রবন্ধে মোহাম্মদ বাসিত ঘৌরি বলেন, “বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুতের রূপান্তরের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তবে উচ্চ কর, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং নীতিগত জটিলতা এ খাতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।”  

তিনি জানান, ২০২৫ অর্থবছরে পাকিস্তানে সৌর প্যানেল আমদানি ১৭ দশমিক ৯ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা দেশটির গ্রিড সক্ষমতার চেয়েও বেশি। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ২৮ থেকে ৩৮ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপিত হয়েছে, যার বড় অংশই বিতরণভিত্তিক ব্যবস্থায়। তার ভাষ্যে, বিদ্যুতের উচ্চমূল্য ও গ্রিড ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতা পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুতের দ্রুত বিস্তারের প্রধান কারণ। পাশাপাশি চীনে উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে সৌর প্যানেলের দাম কমে যাওয়া এই খাতে ‘সোলার রাশ’ তৈরি করেছে।  

তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৭৩ লাখ পরিবার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যার বড় অংশই গ্রামীণ এলাকায়।” সৌরবিদ্যুতের কারণে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ কমেছে এবং আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  

সংলাপে উপস্থাপিত আরেকটি গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের সোলার হোম সিস্টেম একসময় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অফ-গ্রিড কর্মসূচি ছিল এবং দুই কোটির বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এনেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কর্মসূচির গতি কমে এসেছে এবং অনেক সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়েছে।  

গবেষণায় বলা হয়, দেশে বর্তমানে নেট-মিটারিংভিত্তিক রুফটপ সোলার স্থাপনার সংখ্যা সীমিত হলেও তা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে উচ্চ কর, নেট মিটারিং অনুমোদনের জটিলতা, অর্থায়নের ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা খাতটির বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ বলেন, “সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর-সুবিধা দিয়েছে এবং সেচ পাম্পসহ বিভিন্ন খাতে সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।”  

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশও পাকিস্তানের মতো দ্রুতগতির সৌর রূপান্তরের পথে এগোতে পারে। 





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html