ঢাকাWednesday , 29 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগেই তাকে ত্যাজ্য করেছি, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো না

UttorbongoBD
June 7, 2026 7:20 pm
Link Copied!


রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই রায় শুনে সোহেলের পরিবার শোকাহত হলেও রাষ্ট্রের সহায়তা পেলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে। তবে স্বপ্নার পরিবার আপিল করবে না বলে জানিয়েছে। তার বাবা বলেছেন, ‘মেয়েকে আগেই ত্যাজ্য করেছি, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আমি কোনও আপিল করবো না। বরং নৃশংস এই ঘটনায় এমন রায় হওয়ায় আমি খুশি হয়েছি।’

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে রায় ঘোষণার পর সোহেল রানার নিজ এলাকা নাটোরের সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামে থাকা স্বজন ও রাজশাহীতে থাকা স্বপ্না আক্তারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

দুপুরে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, টিনের ঘরের বারান্দায় বসে রয়েছেন সোহেলের বাবা-মা। মা কাঁদছেন। বাবা শোকাহত অবস্থায় বসে রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোহেলের ফাঁসির রায়ের কথা তাদের জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, ‘আগে থেকেই ধারণা করেছিলাম ভাইয়ের ফাঁসি হবে। আদালত যে রায় দিয়েছেন তা আমরা মেনে নিয়েছি। আমাদের আর্থিক সামর্থ্য থাকলে আপিল করার চেষ্টা করতাম।’

সোহেলের বাবা জাকির হোসেন বলেন, ‘অপরাধী হলেও সোহেল আমার ছেলে। আমরা গরিব মানুষ। আপিল করার মতো টাকা-পয়সা নেই। সরকার যদি খরচ দেয় বা আইনজীবীর ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে আপিল করবো।’

সোহেলের প্রতিবেশী সেন্টু ও মকুল জানান, মামলার রায় শুনে খুশি হয়েছেন তারা। এই রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তারা। সেন্টু বলেন, ‘একজন মেয়ের বাবা হিসেবে এ ধরনের অপরাধ মেনে নেওয়ার মতো নয়। যে নৃশংসভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, তার এমন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া জরুরি ছিল।’

অপরদিকে, স্বপ্নার মা থাকেন রাজশাহীতে আরেক মেয়ের বাড়িতে। স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চাকরি করেন বাবা দিয়াদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মেনে নেওয়ার মতো নয়। সোহেলকে বিয়ে করায় পরিবারের অবাধ্য হওয়ায় স্বপ্নাকে আগেই ত্যাজ্য করেছিলাম। মেয়ের ফাঁসির রায়ে আমি খুশি। ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে কোনও আপিল করবো না। একজন বাবা হিসেবে চাই, তাদের দুজনের ফাঁসিই হোক।’

প্রতিবেশী আবুবক্কর ও আবু সাইদ জানান, সোহেল স্বপ্নার তৃতীয় স্বামী। বাবা-মায়ের অমতে সোহেলকে বিয়ে করার পর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না। এজন্য তাকে ত্যাজ্য করেছিল পরিবার।

এলাকাবাসী জানান, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেলের রয়েছে কলঙ্কিত অতীত। এলাকায় পরকীয়া, চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিল। চার বছর আগে স্বপ্নাকে নিয়ে সিংড়া ছেড়ে ঢাকায় যায়।

প্রসঙ্গত, পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সোহেল রানা (৩৩) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৮) মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রবিবার বেলা ১১টায় বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণা শুরু করেন। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে রায় পাঠ শেষ করেন। আলোচিত এই মামলার বিচারকাজ অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় এটি দেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html