ঢাকাSunday , 7 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

একসঙ্গে পাঁচ জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা, গুলি-লুটপাট


June 7, 2026 10:00 pm
Link Copied!


সুন্দরবনের ভেতর বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে পাঁচটি জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা হয়েছে। ভারতগামী জাহাজগুলোর চারটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিরাপদে যেতে পারলেও এমভি আবদুল হাকিম-১ নামের একটি কার্গো জাহাজ ডাকাতদের কবলে পড়ে। ওই জাহাজে উঠে গুলি চালায় এবং লুটপাট করে ডাকাতরা।

শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনের শিবসা নদী পার হয়ে শিংলেনালা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। ভারত-বাংলাদেশ নৌ প্রেটোকলের অধীনে ঢাকা থেকে মোংলা বন্দর হয়ে সুন্দরবনের শাকবাড়িয়া, বজবজা, আড়ুয়া শিবসা, শিবসা নদী দিয়ে ভারতে যায় নৌযানগুলো। পথিমধ্যে ডাকাতদের কবলে পড়ে।

আংটিহারা নৌ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুখ হোসেন বলেন, ‘ডাকাতির বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে এখনও কোনও অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি।’

বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রোটকল কমিটির কার্যকরী সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার বেলা ২টার দিকে জাহাজগুলো মোংলা দিয়ে ভারতের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। শেখবাড়িয়া থেকে মাত্র আধা ঘণ্টার দূরত্বে থাকার সময় ডাকাতরা হানা দেয়। জাহাজগুলো খালি ছিল। এগুলো ভারতে থেকে ফ্লাইঅ্যাশ (সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল) আনতে যাচ্ছিল। শিবসা নদী পাড়ি দিয়ে শিংয়ের নালাখানের ভেতর ঢোকামাত্র ডাকাত দল ধাওয়া করে। এমভি খারেহেরা, এমভি বয়রাতলা, এমভি আবদুল হাকিম, এমভি আরিয়ান ছালাম এগিয়ে গেলেও সবার পেছনে ছিল এমভি আবদুল হাকিম-১ জাহাজে উঠে পড়ে ডাকাতরা। তারা জাহাজে উঠেই স্টাফদের মারধর শুরু করে। পরে মাস্টার ব্রিজে গিয়ে অন্তত ১৫টি গুলি করেছে ডাকাতরা।’

সিরাজুল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার দিকে ওই ঘটনা ঘটে। ট্রলারযোগে আসা আনুমানিক ১০-১৫ জন লাইফ জ্যাকেট পরিহিত ডাকাত বাঁ পাশ দিয়ে জাহাজে উঠে আসে। তারা নিচে থাকা স্টাফদের অস্ত্রের মুখে বেঁধে ফেলে ও মারধর করে। টের পেয়ে তাৎক্ষণিক মাস্টার ব্রিজের সব গেট আটকে দেন। ডাকাতরা মাস্টার কেবিনে ঢুকতে না পেরে গেটের দরজায় শটগান দিয়ে ১৫-২০টি গুলি করে। তারা প্রায় ১৫ মিনিট ধরে জাহাজে অবস্থান করে। স্টাফদের মোবাইল, নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে যায়।

নৌযান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের মোংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাস্টার জানিয়েছেন, বিষয়টি কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এমন ঘটনা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ-ভারত রুটে জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে না। আমরা সরকারের কাছে আমাদের শ্রমিকদের নিরাপত্তা চাই।





Source link

🔴 LIVE