সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে। তবে ঘন ঘন কম্পন অনুভূত হওয়া অনেকের মনে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি করছে।
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিকভাবে একটি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থান করছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, সিলেট অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার সীমান্তের বিভিন্ন ফল্ট লাইনের কারণে মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্প কবে হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না হলেও সব সময় প্রস্তুত থাকা জরুরি।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভবনের ভেতরে থাকলে শক্ত টেবিল বা আসবাবপত্রের নিচে অবস্থান করতে হবে এবং লিফট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বাইরে থাকলে খোলা স্থানে চলে যেতে হবে।
দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণ এবং নিয়মিত মহড়ার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তাই ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন যথাযথ প্রস্তুতি ও সতর্কতা।
ভবিষ্যতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।