প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের কাছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভকে ঘিরে ভারতের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর মতে, এই বিরোধকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।
রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে আটক করার পরই আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে ‘তাল মিলিয়ে চলার’ অভিযোগ তোলেন।
তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভে সরকার দ্রুত সাড়া দিলেও, যন্তর মন্তরে সোনম ওয়াংচুক ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্যোগ দেখায়নি।
তবে এ ধরনের মন্তব্যের জেরে এবার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারীর সমালোচনার মুখে পড়েছে আম আদমি পার্টি (এএপি)। তাদের অভিযোগ, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে দলটি।
এএপি সাংসদ সঞ্জয় সিং এক্সে লিখেছেন, সিজেপির আন্দোলনকে দুর্বল করতেই মোদি রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভে বসিয়েছেন। এর জবাবে টিএমসি সাংসদ কীর্তি আজাদ লেখেন, তোমার কাছ থেকে এটা আশা করিনি। তুমি আমাদের বন্ধুত্বকে লজ্জায় ফেলেছ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন বিরোধী দলগুলোর পারস্পরিক রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। এই বিভক্তিকে সামনে এনে কংগ্রেস ও এএপি উভয় দলই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নির্বাচনি স্বার্থে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি।