ঢাকাTuesday , 9 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার


June 9, 2026 2:35 am
Link Copied!


দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর দেশের পুঁজিবাজার পুরোপুরি ফ্লোর প্রাইসমুক্ত হতে যাচ্ছে। অবশেষে বহুল আলোচিত দুই কোম্পানি—বেক্সিমকো লিমিটেড ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার (৮ জুন) শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষ হওয়ার পর এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আদেশ অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে কোম্পানি দুটির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই স্বাভাবিক বাজার ব্যবস্থায় লেনদেন হবে।

বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, দেশের পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামীকাল থেকে বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হবে বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে।

নতুন কমিশনের প্রথম বড় সিদ্ধান্ত

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই ফ্লোর প্রাইস পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বর্তমান কমিশন ভবিষ্যতে বাজারে ফ্লোর প্রাইস আরোপের নীতিতে বিশ্বাস করে না এবং বাজারকে স্বাভাবিক গতিতে পরিচালিত হতে দিতে চায়।

সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় বাজারে অবশিষ্ট থাকা শেষ দুটি কোম্পানির শেয়ার থেকেও ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলো।

কী ছিল ফ্লোর প্রাইস?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর ২০২২ সালের ২৮ জুলাই দেশের শেয়ারবাজারে টানা দরপতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি মূল্যসীমার নিচে কোনো শেয়ারের দাম নামতে পারত না।

বাজারে বড় ধরনের পতন রোধে তৎকালীন বিএসইসি কমিশন এই কৃত্রিম মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছিল। এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির সময় ২০২০ সালের মার্চ মাসেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

তবে বাজার বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের মতে, ফ্লোর প্রাইস স্বল্পমেয়াদে সূচকের পতন ঠেকালেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এবং তারল্য সংকট সৃষ্টি করে।

ধাপে ধাপে প্রত্যাহার

২০২২ সালের জুলাইয়ে আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে। প্রথম ধাপে সূচকে বেশি প্রভাব ফেলে এমন ৩৫টি কোম্পানি ছাড়া বাকি সব শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়।

পরে ধাপে ধাপে ওই ৩৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩৩টির ক্ষেত্রেও ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। এতদিন শুধু বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারই ফ্লোর প্রাইসের আওতায় ছিল। সর্বশেষ এ দুটি কোম্পানির ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় দেশের শেয়ারবাজার সম্পূর্ণভাবে ফ্লোর প্রাইসমুক্ত হলো।

বিনিয়োগকারীদের নজরে দুই শেয়ার

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার থেকেই বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সোমবারও দুই কোম্পানির শেয়ারের দাম নির্ধারিত ফ্লোর প্রাইসে আটকে ছিল।

দিন শেষে বেক্সিমকোর প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ১১০ টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ৩২ টাকা ৬০ পয়সা।

বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের ফলে আগামী দিনগুলোতে দুই কোম্পানির শেয়ারের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে।





Source link

🔴 LIVE