ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ার ৮ মাদ্রাসার সবাই ফেল, অধ্যক্ষ বললেন ‌৫০ বছরের কর্মজীবনে সবচেয়ে খারাপ ফল


August 10, 2026 8:15 pm
Link Copied!


বগুড়ায় চলতি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনও শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আটটি মাদ্রাসা এবং একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

সোমবার (১০ আগস্ট) রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশের পর বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ এ তথ্য জানিয়েছেন।

শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসা, শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদ্রাসা ও দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা, শেরপুরের কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, সোনাতলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসা এবং ধুনটের রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ।

এমন ফলাফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের কর্মজীবনে এটি এই মাদ্রাসার সবচেয়ে খারাপ ফল। এই ব্যাচটিও ছিল দুর্বল। ২১ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও এমন ফল হতাশাজনক। বর্তমানে আলিম মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার্থী ধরে রাখা ও তাদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসার সুপার জুয়েলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত নয়। এবার মাত্র পাঁচ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতিই এই খারাপ ফলাফলের অন্যতম কারণ। অন্য কোনও কারণ আমি দেখছি না।’ 

ধুনটের হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক তার প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের ব্যাপারে পরে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার জানান, তিনি জেলার নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করার বিষয়টি জেনেছেন। 

এমন ফলের কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কী কী সমস্যা আছে, তা চিহ্নিত করে উত্তরণের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘুরে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসন থেকে সার্বিক সহায়তা করা হবে।’

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html