ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পেট্রোবাংলা বলছে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে, ভোক্তারা বলছেন, ‘কিছুটা’


September 15, 2026 9:35 pm
Link Copied!


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশ্বাস অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কথা। সেই অনুযায়ী আজ দিন থেকেই গ্যাস সরবরাহে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে। যদিও বিদ্যুৎ সংকট আগের মতোই আছে। 

পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, সোমবারের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। যদিও রাজধানীর আবাসিক লাইনের অনেক এলাকাতেই এখনও গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়নি। আবার অনেক এলাকাতে দিনের বেলা আজও চুলা জ্বলেনি। ফলে গ্যাস সংকট এখনও পুরোপুরি কাটেনি। অন্যদিকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতেও তেমন কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি। মঙ্গলবার দুপুরেও প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।

গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত থেকেই নতুন করে তৈরি হওয়া সংকট কাটিয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে এ তথ্য জানান এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

কোথাও গ্যাস বেড়েছে, কোথাও সংকট আগের মতো

কিছু আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিনের বেলা চুলা জ্বলেছে। আগের তুলনায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাপও বেড়েছে। তবে অনেক এলাকায় দিনের বেলায় গ্যাস না থাকায় আগের মতোই রান্নায় ভোগান্তি রয়েছে।

কলাবাগানের বাসিন্দা তাসলিমা আক্তার জানান, এতদিন দিনের বেলা গ্যাসের চুলায় আগুনই ধরতো না। বিকালের পরে চুলা জ্বলতো। মঙ্গলবার দিনের বেলা চুলা জ্বলছে, তবে গ্যাসের চাপ কমই আছে।

বনশ্রীর বাসিন্দা মারিয়া ইসলাম জানান, তাদের এলাকায় আগের মতোই গ্যাসের কোনও দেখা নেই। প্রতিদিনের মতো রাতে গ্যাস আসার অপেক্ষায় আছেন। ওই সময় গ্যাস এলেই তারা পরদিনের রান্না করে রাখেন। এরপর বৈদ্যুতিক চুলায় খাবার গরম করে খান। বাড়তি কিছু রান্না করতে হলে তা ওই চুলাতেই করতে হয়।

কাকরাইলের বাসিন্দা রাব্বানী বলেন, ‘আমাদের এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে একেবারে গ্যাস পাওয়া যায় না। তবে গত কয়েকদিন চাপ খুবই কম ছিল। রান্না হতে অনেক সময় লাগতো। আজকে অন্যান্য দিনের তুলনায় চাপ বেড়েছে।’

সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অবস্থাও আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সিএনজি মালিক সমিতির মহাসচিব ফারহান নুর বলেন, ‘যে গ্যাস বাড়তে তা তো শিল্পেই যাওয়ার কথা। আমার কোথায় পাবো? আমাদের মতো একই। চাপ নাই। লম্বা লাইন, ভোগান্তি গ্রাহক আর আমাদের। একটা কার্গো আসায় এখন হয়তো কোথাও কোথাও গ্যাসের চাপ বেড়েছে কিন্তু এটা যে একই থাকবে তার নিশ্চয়তা কোথায়?’

গ্যাস সরবরাহ বাড়লো কতটা

পেট্রোবাংলার হিসাবে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়। সে সময় এলএনজি পাওয়া গেছে ৯৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকাল ৪টায় মোট সরবরাহ দাঁড়ায় ২ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় খনি থেকে পাওয়া গেছে ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি পাওয়া গেছে ৯৯১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট।

সোমবার দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১১ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে পাওয়া গেছে ৭৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট।

সেপ্টেম্বরে আসছে আরও পাঁচ এলএনজি কার্গো

পেট্রোবাংলা জানায়, সেপ্টেম্বর মাসে মোট নয়টি এলএনজি কার্গো আসার কথা। এর মধ্যে চারটি কার্গো ইতোমধ্যে এসেছে। আরও পাঁচটি কার্গো এ মাসে আসবে। সবশেষ গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর একটি কার্গো এসেছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর আরও একটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। এর ফলে মঙ্গলবার থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।

এলএনজি কার্গো আসার তারিখ অনুযায়ী, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর গানভর, ১৮ সেপ্টেম্বর আরামকো, ২৩ সেপ্টেম্বর টোটাল এনার্জি, ২৫ সেপ্টেম্বর আরামকো ও ২৮ সেপ্টেম্বর গানভর থেকে একটি করে মোট পাঁচটি কার্গো আসার কথা রয়েছে।

গ্যাস বাড়লেও কমেনি লোডশেডিং

গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও এর প্রভাব বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখনও স্পষ্ট নয়। মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৯১৯ মেগাওয়াট। এ সময় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭০৫ মেগাওয়াট।

এদিন দুপুর ১২টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট। আগের দিন ১৪ সেপ্টেম্বর একই সময়ে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ১৭৩ মেগাওয়াট। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং আগের তুলনায় কিছুটা কম দেখালেও বাস্তবে তা আগের মতোই আছে।

পিডিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে প্রথমেই সে গ্যাস যায় শিল্পে, এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরে বাদ বাকি আর সবাই পায়। যেহেতু শিল্প ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘাটতি আগে থেকেই ছিল সেহেতু বাড়তি সরবরাহ করা গ্যাসের বেশি অংশ শিল্পে যাচ্ছে। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্রে।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html