ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জেলের জালে একসঙ্গে ধরা পড়লো ২৬ লাখ টাকার ইলিশ


September 15, 2026 9:55 pm
Link Copied!


টানা পাঁচ দিন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলেও দেখা মেলেনি ইলিশের। তবে ষষ্ঠ দিনে এসেই কপাল খুললো কক্সবাজারের ‘এফভি কুলসুমা’ নামের ট্রলারের জেলেদের। বঙ্গোপসাগরের ১২ কিলোমিটার গভীরে জাল ফেলতেই ধরা পড়ে ২২০০ কেজি ইলিশ। ঘাটে এনে সেই ইলিশ বিক্রি করা হয়েছে ২৬ লাখ টাকায়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে দীর্ঘ সাত দিন সাগরে কাটিয়ে ২২০০ কেজি ইলিশ নিয়ে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়াছটা ঘাটে নোঙর করেছে ফিরে আসে ‘এফভি কুলসুমা’। এরপর জেলেরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন মাছ বের করার কাজে। ইলিশ ছাড়াও পোপা, মাইট্যা, রুপচাঁদাসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ ট্রলারের ডেকে রাখা হচ্ছিল। তারপর ঝুড়িতে ভরে সেই মাছ নেওয়া হচ্ছিল পাশের ফিশারিঘাটের পাইকারি মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে।

ফিশারিঘাটে আনার পর কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রলারের ২২০০ কেজি ইলিশ কিনে নেন ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকায়। প্রতিটি ইলিশের ওজন ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম। বিক্রির পর পর সেই ইলিশ বরফমিশ্রিত কার্টনে ভরে ট্রাকে বোঝাই করেন শ্রমিকরা। দুপুরে ঢাকার পথে রওনা দেয় ট্রাকটি।

এফভি কুলসুমায় ইলিশ ধরা পড়ার খবর ততক্ষণে ফিশারিঘাটের সবার মুখে মুখে। মৌসুমে এত মাছ খুব কমই ধরা পড়েছে। কুলসুমা ট্রলারের জেলেরাও খুশি। ইলিশ দ্রুত বিক্রি হওয়ায় টাকা নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন জেলেরা। ট্রলারটির ১২ জেলে জানান, ইলিশ বিক্রি থেকে তারা প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকার মতো পাবেন।

এফভি কুলসুমা ট্রলারের মালিক শহরের নুনিয়াছটার বাসিন্দা আমান উল্লাহ (৫৪) বলেন, গত তিন মাস ধরে কক্সবাজারের জেলেরা ইলিশের দেখা পাননি। বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন নিম্নচাপ, লঘুচাপ সৃষ্টির ফলে গত দুই মাস সাগরে নামাও সম্ভব হয়নি। তবে গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে কিছু ট্রলারে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়ছে। শেষ দিকে এসে তারা এত মাছ পাবেন, ভাবতেও পারেননি।

আমান উল্লাহ বলেন, মহেশখালীর তাজিয়াকাটা এলাকা থেকে পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে জাল ফেলে তার ট্রলারের জেলেরা এই ইলিশ ধরে এনেছেন। এ পর্যন্ত এত বেশি ইলিশ কোনও ট্রলারে ধরা পড়েনি। গভীর সাগরে ইলিশ আছে, কিন্তু ছোট ট্রলার নিয়ে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ইলিশ আহরণ ঝুঁকির কাজ।

শেষ মুহূর্তে এসে মাছ পেয়ে খুশি ট্রলারের জেলে আলমগীর। তিনি বলেন, টানা পাঁচ দিন ট্রলারের ১২ জন জেলে সাগরের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে ইলিশের নাগাল পাননি। ষষ্ঠ দিন মহেশখালী উপকূলে জাল ফেলে ২ হাজার ২০০ কেজি ইলিশ ধরতে পেরেছেন। এসব ইলিশ তাদের ভাগ্য ফিরিয়েছে। খরচ বাদ দিয়ে তারা ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন। এই টাকা এক মৌসুমের জন্য কম হলেও একদিনের জন্য যথেষ্ট ভালো।

ফিশারিঘাট মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে গতকাল পাইকারিতে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায়, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৭০০ টাকায়, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায় এবং ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। বেশির ভাগ ইলিশ মাঝারি আকারের। মাঝারি আকারের অধিকাংশ ইলিশের পেটে ডিম রয়েছে বলে জানান জেলে ও ব্যবসায়ীরা।

ইলিশ কেনা ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক দিনে সাগর থেকে কমপক্ষে তিন শতাধিক ট্রলার ফিশারিঘাটে এসেছে। প্রতিটি ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ২০০ থেকে ৩০০টি ইলিশ। সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়েছে আমান উল্লাহর এফভি কুলসুমায়। ঘাটে ইলিশের ট্রলার আসায় ব্যস্ততা বেড়েছে বলে জানান তারা।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html