বিএনপির নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, নানা ধরনের খরচ ও ঋণ পরিশোধের চাপে সরকার বিপর্যস্ত। চাইলেও সব উন্নয়নকাজ একসঙ্গে করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নিজ নির্বাচনি এলাকার নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি সরকারকে দোষ দেই না। সত্যিকার অর্থে নানান রকম খরচে সরকার বিপর্যস্ত। সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে। সরকারকে তেল-ডিজেল অনেক বেশি দামে আনতে হচ্ছে। গ্যাস বেশি দামে আনতে হচ্ছে। সুতরাং চাইলেও যে পারতেছে ব্যাপারটা তেমনও না।’
এলাকার উন্নয়নকাজে নিজের দেওয়া ডিও লেটারের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব ডিও লেটারের মোট মূল্য ৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ওরাইল থেকে রাজাপুর বাজার হয়ে রানিদিয়ার সড়কের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া আরও কয়েকটি সড়কের জন্য ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে আমাদের যিনি চিফ ইঞ্জিনিয়ার, তার অফিসে গেছি। আমি কথা বলে এসছি। দেখা যাক কী হয়। জুলাই মাসে নতুন বাজেট এসেছে জুন মাসে। এই বাজেটের অর্থ ছাড় হইতে বা টাকা ছাড় করতেও তো কিছু সময় লাগবে।’
চিত্র নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকায় চিফ ইঞ্জিনিয়ারের কার্যালয় থেকে তাকে জানানো হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে সেতুটির কাজ শুরু হবে।
নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আল্লাহ যদি পুরা বাজেট আমার হাতে দিত, আমি সোনা দিয়া মুড়াইয়া দিতাম। আল্লাহ তো দেয় নাই। আল্লাহ আমারে মাধ্যম করছে। আপনাদের সঙ্গে সরকারের একটা মাধ্যম করছে।’
তিনি বলেন, তার পক্ষ থেকে কোনো চেষ্টার ত্রুটি থাকলে স্থানীয়রা তাকে জানাতে পারেন। দীর্ঘদিন এলাকায় দেখা না গেলে মোবাইলের দিকে চোখ রাখার আহ্বান জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মোবাইলের দিকে চোখটা রাখলেই বুঝবেন আপনাদের আপা ঘুমাইয়া নাই। আপনাদের আপা আপনাদের জন্য কাজ করতেছে। হয় সংসদে করতেছে, নাইলে এলাকায় করতেছে, কোথাও না কোথাও করতেছে।’