ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিভি লটারি ২০২৭: আবেদন শুরু হচ্ছে কবে?


October 21, 2026 7:25 pm
Link Copied!


আদালতের নির্দেশে ২০২৭ সালের জন্য ডাইভার্সিটি গ্রিন কার্ড লটারি বা ডিভি কর্মসূচি আবার চালু করতে বাধ্য হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। যেসব দেশ থেকে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে কম অভিবাসী আসে, সেসব দেশের মানুষের জন্য এটি স্বস্তির খবর।

১৪ অক্টোবর মার্কিন জেলা বিচারক জিনসুক ওহতা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও পররাষ্ট্র দফতরকে বিলম্বিত ২০২৭ সালের ডাইভার্সিটি ভিসা লটারি চালুর নির্দেশ দেন। ঐতিহাসিকভাবে যেসব দেশ থেকে কম অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে যায়, সেসব দেশের মানুষকে স্থায়ী বসবাসের পথ করে দেয় এই কর্মসূচি।

২০২৫ সালের নভেম্বরে পররাষ্ট্র দফতর কর্মসূচিটি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়ে বলেছিল, নিবন্ধনের তারিখ যথাসময়ে জানানো হবে। এ বিলম্ব শেষ পর্যন্ত কর্মসূচির কার্যক্রমকেই হুমকির মুখে ফেলে। রেড ঈগল-এর পক্ষে অ্যাটর্নি কার্টিস মরিসন নিবন্ধনের সময়সীমা না দেওয়ায় রুবিওর ব্যর্থতাকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন।

নিবন্ধন না হলে কোনও আবেদনকারী থাকে না, লটারিতে নির্বাচনও হয় না, ফলে ২০২৭ সালে কর্মসূচি কার্যকর থাকে না। মরিসন যুক্তি দেন, নিবন্ধনের সময় আবার চালু না করায় কার্যত কর্মসূচিটি বাতিল হয়ে গেছে। বিচারক ওহতা এ যুক্তি মেনে প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা দেন। এর আওতায় সরকারকে নিবন্ধনের ঘোষণা দিতে, ৩০ দিনের নিবন্ধনের সময় রাখতে, নির্বাচিত আবেদনকারীদের জানাতে এবং পররাষ্ট্র দফতরকে স্বাভাবিক মান অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া করতে হবে।

আদেশ অনুযায়ী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের বিবরণ ঘোষণা করতে হবে, ১ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন চালু করতে হবে এবং ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিতদের জানাতে হবে। ভিসা দেওয়ার শেষ সময় ২০২৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে আবেদন প্রক্রিয়ায় দেরি হলে বিজয়ীদের আশা তাতে ভেস্তে যেতে পারে।

আদালতের আদেশের পর প্রশাসন আপিল করেছে। আপিল বা স্থগিতাদেশ এ বাধ্যবাধকতা বদলে দিতে পারে। মরিসন বলেন, ডিভি-২০২৭-এর ক্ষেত্রে আমরা এটি আবার ঘটতে দেব না। তার যুক্তি, নিবন্ধনের জয় শেষ পর্যন্ত বাস্তব ভিসা প্রক্রিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে গড়াতে হবে।

কর্মসূচিটির উৎপত্তি প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের স্বাক্ষরিত ১৯৯০ সালের অভিবাসন আইন থেকে। ১৯৬৫-পরবর্তী ব্যবস্থায় কিছু দেশ থেকে অভিবাসীর সংখ্যায় যে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছিল, তার জবাবেই এটি তৈরি। পারিবারিক বা দক্ষতাভিত্তিক অগ্রাধিকারের বাইরে পথ খুলে কম প্রতিনিধিত্বের গোষ্ঠীগুলোর প্রবেশাধিকার ফেরানোই ছিল লক্ষ্য। সময়ের সঙ্গে মূল লক্ষ্যগোষ্ঠীর চাহিদা কমায় আফ্রিকান সুবিধাভোগীদের অংশ বেড়েছে। কর্মসূচির বরাদ্দে আবেদনকারীর স্ত্রী ও সন্তানরাও গণ্য হন। অর্থাৎ ৫৫ হাজার মূল আবেদনকারীর পাশাপাশি তাদের পরিবার নয়।

নিবন্ধনের পথ খুলে দিলেও লটারিতে নির্বাচিত হওয়া ভর্তির নিশ্চয়তা নয়। পররাষ্ট্র দফতরের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল আবেদনকারীদের উপযুক্ত হাইস্কুল শিক্ষা বা যোগ্য কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে চাকরির প্রস্তাব সাধারণভাবে বাধ্যতামূলক নয়। এ ছাড়া অপরাধমুক্ত থাকা এবং আগে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন না করার মতো প্রযোজ্য শর্তও পূরণ করতে হবে।

সমালোচকদের যুক্তি, এসব ভিসা বরং ব্যতিক্রমী কর্মী বা বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহার করা উচিত। তবে এর পাল্টা যুক্তি হলো, কংগ্রেস সেসব পথ বাড়িয়েও যুক্তরাষ্ট্রে আগে থেকে সম্পর্ক নেই এমন মানুষের জন্য সীমিত সুযোগ বজায় রাখতে পারে।

১৯৯০ সালের আইনের অন্যতম প্রণেতা সাবেক প্রতিনিধি ব্রুস মরিসন বলেছিলেন, বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জের সবচেয়ে ভালো প্রতিষেধক হলো বিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে স্বনির্বাচিত পরিশ্রমীদের আকৃষ্ট করা।

সূত্র: ফোর্বস





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html