নারীর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস, আত্মমর্যাদা এবং নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘ওয়াও- ওমেন ওনিং ওয়েলনেস’ শীর্ষক বিশেষ আয়োজন। গত ৩১ অক্টোবর ডা. তাওহিদা রহমান ইরিনের নেতৃত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার সফল ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীরা অংশ নেন।
চিকিৎসক, করপোরেট ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, পুষ্টিবিদ, সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজনটি হয়ে ওঠে অভিজ্ঞতা ও ভাবনা বিনিময়ের একটি মিলনমেলা। আলোচনায় উঠে আসে নারীর সুস্থতা, আত্মবিকাশ, আত্মবিশ্বাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেজিয়ন হারবাল লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া হক শর্মী, সি পার্ল বিচ রিসোর্টের সিইও ও করপোরেট ডিরেক্টর ডা. মাশা মাহজাবিন, জ্যেষ্ঠ সম্প্রচার সাংবাদিক ও উপস্থাপক শাহরিন মাহফুজা জাবিন, চিত্রনাট্যকার ও সংগীতশিল্পী রাবা খান, রেডিয়েন্ট স্মাইল ডেন্টালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. লায়লা নূর-ই-নাজনীন, লেজার ডেন্টাল বিশেষজ্ঞ ও সংবাদ উপস্থাপক ডা. নবনীতা, জ্যেষ্ঠ থেরাপিস্ট ও মানসিক স্বাস্থ্য প্রশিক্ষক বুশরা মাহমুদ এবং ইনার হুইলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদা আপন।
এ ছাড়া ছিলেন ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট ৩৪৫-এর পিএনআর শারমিন হোসেন, উদ্যোক্তা সাদিয়া রউফ, মিসেস ওয়ার্ল্ড মুনজারিন আবনি, রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সহকারী পরিচালক (এম অ্যান্ড পিডিসি) ডা. সাবরিনা হক, ওয়ান্ডার ওম্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাকিয়া সুলতানা, ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান নুসরাত দীপা, রিজুভা ওয়েলনেসের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ডা. ফারহানা, পেইন ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট ইসরাত জাহান এবং বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন ‘স্টুডিও বাই সালেহা’র প্রতিষ্ঠাতা সালেহা সারওয়ার, লে দিওর ক্যাফে-এর প্রতিষ্ঠাতা নুরফাত শোভা, ব্রেস্ট সার্জন ডা. মৌটুসি, গৃহিণী মায়া জান্নাতুল এবং মডেল সোনিয়া।
বিভিন্ন পেশা ও সামাজিক অবস্থান থেকে আসা নারীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উঠে আসে তাদের বহুমাত্রিক সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা। নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোও বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।
আয়োজকদের মতে, ‘ওয়াও- ওমেন ওনিং ওয়েলনেস’-এর মূল উদ্দেশ্য নারীদের নিজেদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে নারীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
আয়োজনটির মূল বার্তা- একজন সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর নারী শুধু নিজের জীবনকেই সমৃদ্ধ করেন না, পরিবার, সমাজ ও আগামী প্রজন্মের জন্যও ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করেন।