ঢাকাThursday , 4 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

সন্তানের মতো করে লালন করেছি, হালাল টাকার মালিকের কাছে বেচতে চাই

uttorbongo bd
May 18, 2026 12:38 pm
Link Copied!


বিশাল আকৃতি ও সুঠাম দেহের ‘কালো মানিকের’ নাম ছড়িয়ে পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কালো মানিক নামের ষাঁড়টি চার বছর ধরে প্রস্তুত করা হয়েছে। এবার কোরবানিতে বিক্রির পালা। ১ হাজার ৩১২ কেজি ওজনের গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ১৮ লাখ টাকা। 

পাকিস্তানি শাহিওয়াল জাতের এই ষাঁড়টি পালন করেছেন খামারি আবু শাহ আলম। সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের চুড়ামনি এলাকায় টিনশেডের খামারে আরও ২৫টি ষাঁড় পালন করছেন তিনি।

নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের কান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ও জায়েদা খাতুন দম্পতি চার বছর ধরে ৩৫ মণ ওজনের কালো মানিক পালন করছেন। ফ্রিজিয়ান শাহিওয়াল জাতের কালো ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন তাদের বাড়িতে।

জায়েদা খাতুন বলেন, ‘কোনও ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ ও কৃত্রিম খাবার প্রয়োগ ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশি ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য কালো মানিককে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন ঘাস, খড় ও কুঁড়া ষাঁড়টির নিত্যদিনের খাবার। ৩৫ মণের কালো মানিকের দাম ১৮ লাখ টাকা। প্রতিদিন অনেক লোক দেখতে আসছেন। দরদাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। ন্যায্য দাম না পেলে এ বছর ষাঁড়টি বিক্রি করবো আমরা।’

গরুটির দড়ি ধরে রেখেছেন মালিক শফিকুল ইসলাম

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটিকে সন্তানের মতো করে লালন-পালন করেছি আমরা। দাম চাচ্ছি ১৮ লাখ টাকা। অনেক কষ্ট করে গত চার বছর ধরে গরুটিকে বড় করেছি। ওজন ৩৫ মণ। প্রতি কেজির দাম পড়ছে ১ হাজার ৩১২ টাকা। ঢাকার এক ক্রেতা ১১ লাখ টাকা দাম বলেছিলেন। পরে আর যোগাযোগ করেননি। ভালো দাম পেলে বিক্রি করে দেবো এবার। তবে দাম কিছুটা কমানোও যাবে। বাড়ি থেকে বিক্রি করতে না পারলে আগামী ২৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সবচেয়ে বড় কোরবানির হাট ভাদুঘর হাটে বিক্রির জন্য তুলবো। হালাল টাকার মালিক ও সৎ ব্যক্তির কাছে বেচতে চাই। তাহলে আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।’

গরুটি দেখতে আসা ওমর আলী নামের এক দর্শনার্থী বলেন, ‘ওই কৃষকের বাড়িটি ছোট। ছোট একটি ঘরে এত বড় গরুটিকে কীভাবে লালন-পালন করলেন তারা, তা আসলে অবাক হওয়ার বিষয়। যে কেউ চাইলে এমন ছোট ঘরে বড় গরু পালন করতে পারেন।’

ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুবেল মিয়া বলেন, ‘নাসিরনগরের ভলাকুট গ্রামের কালো মানিক এবার জেলার সবচেয়ে বড় গরু। গৃহপালিত এমন গরু যেন আরও বেশি করে বাড়িতে পালন করা যায়, সে ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সঙ্গে কথা বলে গ্রামাঞ্চলে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’





Source link