ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভাশুরের স্ত্রীকে হত্যা করে সাজালেন ডাকাতির নাটক, একদিন পর শিশুসন্তানসহ কারাগারে


July 17, 2026 12:05 am
Link Copied!


চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বড় জা রিগান আক্তার মীমকে (২৪) গলা টিপে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজিয়েছেন ছোট জা কাজী সুমাইয়া আক্তার মিনা (২৩)।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে একদিনেই হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

গত ১৫ জুলাই রাতে শাহরাস্তি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বাতলা ব্যাপারী বাড়িতে সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল হকের বসতঘরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার পরদিনই শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে একই ঘরে থাকা জা সুমাইয়া আক্তার মিনাকে আটক করে। বৃহস্পতিবার বিকালে তাকে জবানবন্দির জন্য চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ছয় মাসের শিশুসন্তানসহ তাকে কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়া হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহ ও প্রতিহিংসার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।’

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে শাহরাস্তির সাইফুল ইসলাম রনির সঙ্গে রিগান আক্তার মীমের বিয়ে হয়। পরে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। তাদের সংসারে সায়িকা (৩) ও সিরাত (৩ মাস) নামে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। সুমাইয়ার ছয় মাসের এক শিশুসন্তান আছে। ১৫ জুলাই সকালে রিগানের জা নাজমিন বেগম (৫৫) ও ছোট দেবর রিমন (২৫) চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যান। রাতে রিগানকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন সুমাইয়া। পরে ডাকাতির নাটক সাজান। পাশের বাড়ির চাচা মিজান (৬৫) চিৎকারের শব্দ পেয়ে রিগানের বাবা মো. কবির হোসেনকে খবর দেন। তারা এসে মেয়ের লাশ ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. কবির হোসেন বাদী হয়ে ১৬ জুলাই শাহরাস্তি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শরিফুল ইসলাম জানান, আসামি সুমাইয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। প্রতিহিংসার কারণেই তিনি জা-কে হত্যা করেছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার পরদিন সুমাইয়া জানিয়েছিলেন, রাত ১২টার দিকে তিন মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে মুখ বাঁধা দুই ব্যক্তি তাকে ও তার শিশুকে ছুরির মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র দিতে বলে। তিনি আলমারিতে থাকা জিনিসপত্র নিয়ে যেতে বললে ডাকাতরা তার ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে ফেলে এবং হাতুড়ি দিয়ে মাথায় দুই দফা আঘাত করে। পরে তার কানের দুল, আলমিরা থেকে আরেক জোড়া দুল ও একটি আংটি নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তারা পাশের কক্ষে প্রবেশ করে। পাশের কক্ষ থেকে বড় জায়ের কান্নার শব্দ শুনতে পেলেও বাঁধা অবস্থায় তাকে সাহায্য করতে পারেননি। পরে মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়ার ঘোষণা দেওয়া হলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।
 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html