ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেয়ের বস্তাবন্দি লাশ, মোটরসাইকেলে নিয়ে শহরে ঘোরে বাবা


July 20, 2026 10:20 am
Link Copied!


খুলনায় কিশোরী মেয়ে নির্জনা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বাবা আকাশ। রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মো. আসাদুর জামান তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এ সময় আকাশ পারিবারিক কলহের জেরে নিজের সন্তানকে হত্যার কথা জানায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার একটি দোকান থেকে আকাশকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এরপর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন এবং স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে রাজি হন। আদালত জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশি তদন্ত ও জবানবন্দি সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই সকালে নির্জনা তার স্বামীর সঙ্গে চলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফিরিয়ে আনেন। ওইদিন বিকালে মা আরিফা ইয়াসমিন সীমার সঙ্গে নির্জনার বাগবিতণ্ডা হয়।

এ সময় নির্জনা তার মায়ের গায়ে হাত তোলে এবং গলা টিপে ধরে। আকাশ কাঠের চলা দিয়ে শাসন করতে গেলে দুর্ঘটনাবশত সেটি গিয়ে মাথায় লাগে। পরে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা। মেয়ের মরদেহ গুম করার জন্য আকাশ কালো রঙের লুঙ্গি দিয়ে মেয়েকে বেঁধে ফেলে। পরে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে দোতলা থেকে নিচে নিয়ে আসে।

মোটরসাইকেলে মরদেহ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে থাকে আকাশ। ঘুরতে ঘুরতে প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার নির্জন একটি রোডে ফেলা হয় মরদেহটি। বাড়ি ফিরে রক্ত মুছে ফেলে দুই জনই। রাতে উভয়ে কান্নাকাটি করে। সকালে পালিয়ে যায় তারা।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বস্তাবন্দি ও রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধারের পর প্রাথমিক অবস্থায় হত্যাকাণ্ডের কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ বা সূত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এমনকি পিবিআই ও সিআইডির মতো বিশেষায়িত সংস্থাও প্রথমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। লাশটির পরিচয় উদ্ধার করা নিয়ে পুলিশ প্রশাসন দুশ্চিন্তায় ছিল। ঘটনার দিন রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিহত কিশোরীর ছবি প্রকাশ করা হয়। তার পরের দিন বিকালে লাশের আসল পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়।

ওসি আরও জানান, তদন্তের সময় সবচেয়ে আশ্চর্যের ও সন্দেহজনক বিষয়টি ছিল, একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নিহতের মা-বাবার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন কৌশল ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে নির্জনার মা সীমাকে থানায় আনা হয়। প্রথমদিকে মেয়ে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি নীরব থাকেন এবং কোনও কথা বলতে রাজি হননি। তবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে একপর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও সত্য স্বীকার করেন।

ঘটনার ছয় দিন পর হত্যাকাণ্ডে ও লাশ বহনে ব্যবহৃত আকাশের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার ১০ দিন পর আকাশকে ডুমুরিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত ১০ জুলাই আরিফা ইয়াসমিন সীমাও মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html