ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের


August 17, 2026 9:00 pm
Link Copied!


বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। 

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিটিআই) একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। 

সভায় স্বাগত বক্তব্যে ফজলুল হক বলেন, “চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। বিশ্বে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হলেও এর বড় অংশই বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর। বিপরীতে চীনের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি এখনও ১ বিলিয়ন ডলারের নিচে।”  

ফলে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমাতে শুধু পণ্য আমদানি-রফতানি বাড়ালেই হবে না, বরং দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং যৌথ বিনিয়োগ বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, “চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করবে।” একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়াতেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে জানান তিনি।  

তিনি বলেন, “দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করে যৌথভাবে কাজ করা গেলে বাংলাদেশের রফতানি সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। এক্ষেত্রে চীনের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে এফবিসিসিআই সক্রিয় থাকবে।”  

সভায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশেষ করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক পণ্য, ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল (এপিআই), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন তারা।  

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, “চীনের বিপুল বাজার বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পণ্যের বহুমুখীকরণ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।”  

সভায় চীনের হংহে অঞ্চলের ব্যুরো অব কমার্সের পরিচালক হে তাও বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানির প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।”  

তিনি বলেন, “ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব।” এজন্য দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও উদ্যোক্তাদের আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। 

সভায় এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী ও ওবায়দুর রহমান, মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, সাধারণ পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং সিসিপিটিআই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের এমন সরাসরি যোগাযোগ ও যৌথ বিনিয়োগের উদ্যোগকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি রফতানি বহুমুখীকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি কার্যকর পথ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী নেতারা। 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html