ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকার উল্টো পথে হাঁটছে: আখতার হোসেন


August 18, 2026 11:25 pm
Link Copied!


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, সরকার আরও ভালো আইন আনার কথা বলে এখন উল্টো পথে হাঁটছে। মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের আগের অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান খসড়া আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশনের স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। গুমের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্বও এমন বাহিনীর হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক অ্যাডভোকেট আরমান হুসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে আখতার হোসেন বলেন, গুমের ভুক্তভোগী কোনো পরিবার অভিযোগ করতে গেলে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এতে গুমের ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয় দেখানোর সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আমরা একটা ফেয়ার সিস্টেম বাংলাদেশে চাই। একটা জবাবদিহি চাই। বাংলাদেশের গণতন্ত্রটা আমরা সামনের দিকে নিয়ে যেতে চাই।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, শুধু আমলা ও বাহিনীর মতামতের ভিত্তিতে নয়, সাধারণ নাগরিকদের মতামতকে ধারণ করে নতুন করে আইনগুলো প্রণয়ন করতে হবে।

আখতার হোসেন বলেন, বর্তমান খসড়া আইন এভাবেই সংসদে পাস হলে মানবাধিকার সুরক্ষায় যে অগ্রগতি হয়েছিল, বাংলাদেশ আবার পিছিয়ে যাবে।

তিনি প্রশ্ন করেন, অতীতে তো বাহিনীগুলো গুম করত, মানবাধিকার লঙ্ঘন করত, তারা দায়মুক্তি পেত। তো সামনেও কি আমরা এরকম দেখতে চাই?

তিনি বলেন, অতীতের মতো দায়মুক্তির সংস্কৃতি আর ফিরিয়ে আনা উচিত নয়। মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।

আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহীদুল আলম বলেন, আমরা আজকে এখানে এইভাবে কথা বলতে পারছি—এটা একটা বিশাল ব্যাপার এবং এটাকে ভুলে গেলে চলবে না।

‘স্বৈরাচার’ চলে যাওয়ার পর একটি ভিন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, দায়িত্বশীল রাজনীতি নিশ্চিত করা জরুরি। রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় গেলে জনগণের কথা যেন ভুলে না যান, তা নিশ্চিত করা জনগণের দায়িত্ব।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজাকার-নন-রাজাকারসহ নানা বিতর্ক সমাজে বিভাজন তৈরি করেছে। এসব বিতর্কের কারণে রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা ও মানুষের অধিকার পাওয়ার বিষয়গুলো আড়ালে পড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে শুধু রাজনৈতিক দল বা নেতৃত্ব পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলোর পুরোনো খাসলত বদলায় না কেন—এটি বোঝা জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো অনেক কিছু ওয়াদা করে, কিন্তু বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করে না। এর পেছনে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংকট রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল উদ্দেশ্য সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, পুরোনো মানবাধিকার ও গুম আইন বাতিলের সময় নতুন ও আরও ভালো আইন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বর্তমান খসড়া দেখে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

একইসঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসায় হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের কথা আমাদের ১০০ বার, হাজার বার বলতে হবে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html