ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুখের মেছতা কমছে না? রোজের কোন অভ্যাসগুলো বাড়িয়ে দিচ্ছে দাগ


August 21, 2026 9:30 am
Link Copied!


মুখে হঠাৎ বাদামি বা কালচে ছোপ পড়লে অনেকেই তা ঢাকতে নানা প্রসাধনী, স্ক্রাব কিংবা ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন। কিন্তু মেছতা বা মেলাজমা সাধারণ কোনও দাগ নয়। রোদ, হরমোনের পরিবর্তন এবং ত্বকে জ্বালা বা প্রদাহসহ বিভিন্ন কারণে এটি বাড়তে পারে। তাই দাগ কমাতে শুধু প্রসাধনী ব্যবহার করলেই হবে না, কোন অভ্যাসে সমস্যা আরও বাড়ছে সেটিও জানা জরুরি।

মেছতা কি পুরোপুরি সারানো সম্ভব?

মেলাজমা অনেক সময় নিজে থেকেই হালকা হতে পারে, বিশেষ করে কোনও নির্দিষ্ট কারণ—যেমন গর্ভাবস্থা এর সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এটি বছরের পর বছর স্থায়ী হতে পারে এবং চিকিৎসার পরও আবার দেখা দিতে পারে। তাই একে ‘চিরতরে নির্মূল’ করার বদলে দাগ হালকা করা এবং পুনরায় বাড়তে না দেওয়া চিকিৎসার অন্যতম লক্ষ্য।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা, নিয়মিত সানস্ক্রিন এবং ত্বকের যত্নের সঠিক রুটিন মেনে চললে মেছতার দাগ অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে ফল পেতে সময় লাগে।

যে ভুলগুলো মেছতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে

১. সানস্ক্রিনে অনিয়ম: মেছতা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সূর্যের আলো থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখা। সূর্যের আলো ত্বকে মেলানিনের উৎপাদন বাড়িয়ে মেছতার দাগ আরও গাঢ় করতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার আগে ব্রড-স্পেকট্রাম এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে নিয়মিত পুনরায় লাগাতেও হবে।

শুধু রোদ নয়, দৃশ্যমান আলোও মেলাজমা বাড়াতে পারে। বিশেষ করে গাঢ় ত্বকের ক্ষেত্রে আয়রন অক্সাইডযুক্ত টিন্টেড সানস্ক্রিন অতিরিক্ত সুরক্ষা দিতে পারে।

২. অতিরিক্ত স্ক্রাব বা ত্বকে জ্বালা তৈরি করে এমন প্রসাধনী: মেছতার দাগ হালকা করার আশায় জোরে স্ক্রাব করা বা এমন কোনও পণ্য ব্যবহার করা ঠিক নয়, যাতে ত্বকে জ্বালা বা পোড়া অনুভূতি হয়। ত্বকে প্রদাহ তৈরি হলে কালচে দাগ আরও স্পষ্ট হতে পারে। তাই মেছতা থাকলে মৃদু ও সুগন্ধিবিহীন স্কিন কেয়ার পণ্য বেছে নেওয়া ভালো।

৩. একসঙ্গে অনেক ‘অ্যাকটিভ’ ব্যবহার: রেটিনল, ভিটামিন সি বা বিভিন্ন অ্যাসিডজাতীয় উপাদান ত্বকের নির্দিষ্ট সমস্যায় উপকারী হতে পারে। কিন্তু একসঙ্গে অনেক সক্রিয় উপাদান ব্যবহার করে ত্বকে অতিরিক্ত জ্বালা তৈরি করা ঠিক নয়। মেছতার চিকিৎসায় কোন উপাদান, কত ঘন ঘন এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে তা ত্বকের ধরন ও সমস্যার ওপর নির্ভর করে। প্রয়োজনে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. লেবু বা বেকিং সোডার মতো ঘরোয়া উপায়: মেছতা দূর করতে লেবুর রস, বেকিং সোডা কিংবা অন্য কোনও ঘরোয়া উপাদান সরাসরি মুখে লাগানোর প্রবণতা রয়েছে। কিন্তু ত্বকে জ্বালা বা ক্ষতি করতে পারে এমন উপাদান ব্যবহার করলে উল্টো দাগ আরও গাঢ় হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে এমন পণ্য এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

৫. অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শ: মেছতার ক্ষেত্রে শুধু সূর্যের আলো নয়, তাপ ও পরিবেশগত পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অতিরিক্ত গরমে দীর্ঘ সময় থাকা বা এমন কোনো অভ্যাসে ত্বক বারবার উত্তপ্ত ও লাল হয়ে গেলে সমস্যা বাড়তে পারে। তাই ত্বকের ওপর অতিরিক্ত তাপের চাপ কমানো এবং রোদ থেকে সুরক্ষা নেওয়া ভালো।

দাগ কমাতে কী করবেন?

মেছতা নিয়ে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হলো নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বককে অযথা উত্তেজিত না করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন হলে হাইড্রোকুইনোন, ট্রেটিনয়িন, অ্যাজেলাইক অ্যাসিড, কোজিক অ্যাসিড বা ভিটামিন সি-জাতীয় চিকিৎসা দিতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে কেমিক্যাল পিল, মাইক্রোনিডলিং বা লেজার চিকিৎসাও বিবেচনা করা হয়। তবে এসব চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানেই করা উচিত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মেছতার দাগ দ্রুত দূর করার আশায় নিজের মতো করে শক্তিশালী প্রসাধনী ব্যবহার না করা। ধৈর্য, নিয়মিত সূর্যরোধী ব্যবস্থা এবং সঠিক চিকিৎসাই দীর্ঘমেয়াদে দাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে নিরাপদ পথ।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html