ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্রিকেটে ৬ বলের ওভারই কেন? জানেন এর পেছনের ইতিহাস?


September 10, 2026 10:05 am
Link Copied!


ক্রিকেটে একটি ওভার মানেই ছয় বল, এটাই এখন এতটাই স্বাভাবিক যে এর বাইরে কিছু কল্পনা করাও কঠিন। কিন্তু ক্রিকেটের ইতিহাস বলছে, সবসময় এমনটা ছিল না। একসময় চার বলে শেষ হতো একটি ওভার। পরে হলো পাঁচ বল। আবার কোথাও চালু ছিল আট বলের ওভারও। তাহলে কীভাবে ছয় বলের ওভার শেষ পর্যন্ত বিশ্ব ক্রিকেটে স্থায়ী হয়ে গেলো?

ছয় বলের ওভার বর্তমান ক্রিকেটে আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে। তবে তার আগে কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশে ওভারের দৈর্ঘ্য নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে।

শুরুতে ছিল চার বলের ওভার

ক্রিকেটের ইতিহাসে নথিভুক্ত প্রথম ওভার ছিল চার বলের। ১৮৮৯ সাল পর্যন্ত চার বলেই একটি ওভার শেষ করা হতো। এরপর নিয়ম বদলে প্রতি ওভারে বলের সংখ্যা করা হয় পাঁচ।

১৯০০ সালে শুরু হয় ছয় বলের ওভার চালুর উদ্যোগ। তবে তখনই বিশ্বজুড়ে এক নিয়ম হয়ে যায়নি। বরং ক্রিকেটের বিভিন্ন দেশে চলতে থাকে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম।

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে আট বল!

১৯২২-২৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া আট বলের ওভার চালু করে। দুই মৌসুম পর নিউজিল্যান্ডও অনুসরণ করে একই পথ।

শুধু এই দুই দেশই নয়, পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি দেশে আট বলের ওভার দেখা গেছে। ১৯৩৯ সালে ইংল্যান্ড ঘরোয়া ক্রিকেটে আট বলের ওভার পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ায় সেই পরীক্ষা এক বছর পরই থেমে যায়। যুদ্ধের পর ইংল্যান্ড আবার ছয় বলের ওভারে ফিরে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৩৮-৩৯ থেকে ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম পর্যন্ত আট বলের ওভার খেলেছে। পাকিস্তানেও ১৯৭৪-৭৫ থেকে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুম পর্যন্ত ছিল আট বলের ওভার।

নিউজিল্যান্ডও যুদ্ধের পর আবার ছয় বলের নিয়মে ফিরে গেলেও ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে পুনরায় আট বলের ওভার চালু করে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তারাও ছয় বলের নিয়ম গ্রহণ করে।

কেন বারবার বদলেছে ওভারের দৈর্ঘ্য?

চার থেকে পাঁচ এবং পাঁচ থেকে ছয় বল করার নির্দিষ্ট কোনও সরকারি কারণ নথিভুক্ত নেই। তবে ক্রিকেটের বাস্তব প্রয়োজনই এসব পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিল বলে মনে করা হয়।

চার বা পাঁচ বলের ওভার ছিল তুলনামূলক ছোট। ফলে একটি দিনের খেলায় ওভার পরিবর্তনের সংখ্যাও বেড়ে যেত। একই সঙ্গে বোলারদের ছন্দ তৈরি করা এবং ধারাবাহিকভাবে ব্যাটসম্যানকে চাপে ফেলার সুযোগও কমে যেত।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ায় আট বলের ওভার চালুর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দিনে আরও বেশি বল করানো। একটি ওভারে আট বল থাকায় ওভার পরিবর্তনের সংখ্যা কমে যেত, ফলে খেলার গতি ও সময় ব্যবস্থাপনায় সুবিধা পাওয়া যেত।

তবে আট বলের ওভারেরও সমস্যা ছিল। টানা বেশি বল করতে গিয়ে বোলাররা নিজেদের গতি কমিয়ে দিতেন, কারণ দীর্ঘ স্পেলে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকতো।

শেষ পর্যন্ত কেন ছয় বল?

দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়মে ছয় ও আট দুই ধরনের ওভারেরই সুযোগ ছিল। আয়োজক দেশের খেলার পরিস্থিতি ও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ওভারের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হতে পারতো।

তবে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমের পর ছয় বলের ওভারই বিশ্ব ক্রিকেটে স্থায়ী হয়ে যায়। এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনও সরকারি কারণ নথিভুক্ত না থাকলেও ক্রিকেটের বাণিজ্যিকীকরণ এবং কেরি প্যাকার যুগের পর বদলে যাওয়া ক্রিকেট কাঠামোকে বড় কারণ হিসেবে ধরা হয়।

আট বলের ওভার হয়তো একদিকে খেলার সময় কমানোর সুযোগ দিতো, কিন্তু বোলারদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতো। চার বা পাঁচ বলের ওভার আবার ছিল খুব ছোট। সবদিক বিবেচনায় ছয় বলের ওভারই হয়ে ওঠে এক ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান।

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html