ঢাকাFriday , 12 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অন্যের ঘর সামলাতে হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব

UttorbongoBD
June 12, 2026 3:25 pm
Link Copied!


শৈশব জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও গঠনমূলক সময় হলেও দেশের অনেক শিশু এখন সেই সময় কাটাচ্ছে অন্যের ঘরের কাজ সামলাতে গিয়ে। দারিদ্র্য, সচেতনতার অভাব ও সামাজিক বাস্তবতার চাপে গৃহকর্মে নিয়োজিত এসব শিশুরা শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে তাদের শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে দায়িত্বের বোঝা আর কঠোর বাস্তবতার ভেতর।

ঘরের কাজকে অনেকেই ঝুঁকিহীন ও নিরাপদ মনে করলেও বাস্তবতা ভিন্ন। গৃহকর্মে শিশুশ্রম শিশুদের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এসব শিশু প্রতিনিয়তই নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শোষণ ও বঞ্চনার মুখোমুখি হয়।

পরিসংখ্যান যা বলছে

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘চাইল্ড লেবার: গ্লোবাল এস্টিমেটস ২০২৪, ট্রেন্ডস এন্ড দ্য রোড ফরোয়ার্ড’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান বিশ্বে এখনও ১৩ কোটি ৮০ লাখ শিশু শিশুশ্রমে এবং ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত। বাংলাদেশে এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’ থেকে জানা যায়, দেশে বর্তমানে ৫-১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৯ দশমিক ২ শতাংশ শিশুশ্রমে নিয়োজিত। ২০১৯ সালে এ মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থাৎ এই মাত্রা বেড়েছে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এর ফলে আরও প্রায় ১২ লাখ শিশু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

আইএলও’র সহায়তায় বিবিএস পরিচালিত শিশুশ্রম জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, দেশে ৫-১৭ বছর বয়সী শিশু রয়েছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার। এরমধ্যে শ্রমজীবী শিশু ৩৫ লাখ ৪০ হাজার ও শিশুশ্রমে জড়িত ১৭ লাখ ৭৬ হাজার। 

এছাড়াও জরিপের তথ্যমতে, দেশে ২০ লাখ ১০ হাজার শিশু গৃহকর্মী রয়েছে, যাদের পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। তার বিপরীতে প্রারিশ্রমিক পায় মাত্র ৮০ হাজার শিশু শ্রমিক। আর উভয় ক্ষেত্রেই পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। 

বয়সভেদে উল্লেখিত তথ্যে দেখা যায়, ১৪-১৭ বছর বয়সী শিশু গৃহকর্মী সবচেয়ে বেশি। আর সর্বনিম্ন শিশু গৃহকর্মী ৫-১১ বছর বয়সি, যার সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার ৫২৫। ছেলে মেয়ে বিবেচনায় শিশু গৃহকর্মীর ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি। 

ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় নেই গৃহকর্মের শিশুশ্রম

বিবিএস জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকার শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর ৪৩ ধরনের কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ১৮ বছরের নিচে কাউকে এসব কাজে নিয়োগ নিষিদ্ধ। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকার মধ্যে নেই গৃহকর্মে শিশুশ্রম বিষয়টি। অথচ গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুরাও শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। 

অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) পরিচালিত ‘সিচুয়েশন অব চাইল্ড ডোমেস্টিক ওয়ার্কার্স ইন ঢাকা সিটি’ শীর্ষক জরিপে বলা হয়েছে, রাজধানীতে গৃহ শ্রমে নিয়োজিত শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশ বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার, ৩১ দশমিক ৪৫ শতাংশ অতিরিক্ত কাজের চাপে থাকে।

এএসডি জানায়, জরিপে অংশ নেয় ৩৫২ জন শিশু, যাদের মধ্যে ১৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ শারীরিক আঘাত, ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ মারধর, ২০ দশমিক ৭৪ শতাংশ বকাঝকা এবং ১ দশমিক ৭ শতাংশ যৌন নির্যাতনের শিকার।

এদিকে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) ২০২৩ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, গৃহকর্মীদের ৬৭ শতাংশ মানসিক, ৬১ শতাংশ মৌখিক ও ২১ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। ঘটে মৃত্যুও।

বাসায় নিয়োজিত শিশু গৃহকর্মীরা কী ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে বা গৃহকর্মের মধ্যে কোন কাজগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয় জানতে চাইলে ‘শিশুরাই সব’র আহ্বায়ক লায়লা খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বলতে নির্দিষ্ট কোনও কাজকে আলাদা করে চিহ্নিত করার চেয়ে পুরো বিষয়টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখতে হবে। শিশু গৃহশ্রম ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের অন্যতম। কারণ একটি শিশু যখন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে, তার কোনও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা থাকে না। পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না এবং অনেক ক্ষেত্রে শাস্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়।

তিনি বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু গৃহকর্মী শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে। গণমাধ্যমেও মাঝেমধ্যে এমন চরম ঘটনা সামনে আসে, যেখানে শিশু গৃহকর্মীকে হত্যা পর্যন্ত করা হয়েছে। যেহেতু এই শ্রম চার দেয়ালের মধ্যে ঘটে, তাই এসব শিশু অনেকটাই অদৃশ্য থেকে যায়। 

লায়লা খন্দকার বলেন, একটি ৯ বা ১০ বছরের শিশু তার মা-বাবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সম্পূর্ণ অপরিচিত পরিবেশে থাকে এবং সারাদিন কাজ করে। অথচ এ বয়সে তার কোনও কাজ করারই কথা নয়। তার শরীরও এমন শ্রমের জন্য প্রস্তুত নয়। বাসার যেকোনো কাজই শিশু গৃহকর্মীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি বলেন, রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, গ্যাস লিকেজ, আগুন বা অন্যান্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। পুরো বিষয়টিই তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এর চেয়েও বড় বিষয় হলো, যাদের বাসায় সে থাকে, তারা কেমন আচরণ করছে। বাস্তবতা হলো, অনেক ক্ষেত্রেই শিশু গৃহকর্মীরা দুর্ব্যবহারের শিকার হয়।

কেন শিশুরা কাজে আসে, নিয়োগকর্তাই বা নিচ্ছে কেন

মূলত পরিবারের দারিদ্র্যতার কারণেই দুরন্ত শৈশব ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ পেছনে ফেলে শিশুদের যুক্ত হতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোতে। তবে এটিই কেবল একমাত্র কারণ নয়। বিভিন্ন কারণেই কাজে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে শিশুরা। আর নিয়োগকর্তারা শিশুদের কাজে নিচ্ছেন অল্প বেতনে কাজ করিয়ে নেওয়ার উদ্দেশে। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপ বলছে, দেশে শিশুশ্রমে জড়িতদের প্রায় ৫০ শতাংশই পরিবারে আয়ের প্রধান উৎস। দরিদ্র বাবা-মার সংসার চালাতে শিশুরা শ্রমে যুক্ত হচ্ছে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো পরিশ্রম করলেও তারা সমপরিমাণ মজুরি পায় না। শ্রমিক হলেও তাদের কোনও স্বীকৃতি নেই। 

শিশুদের গৃহকর্মে নিয়োগদাতারা বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখেন কিনা বা এ বিষয়ে তারা কতটা সচেতন—এমন প্রশ্নের জবাবে লায়লা খন্দকার বলেন, তিনি মনে করেন না যে নিয়োগদাতারা সচেতন নন। বরং অনেক ক্ষেত্রেই তারা সচেতনভাবেই শিশুদের নিয়োগ দেন। তার মতে, এর অন্যতম কারণ হলো শিশুদের নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

তিনি বলেন, শিশু শ্রমিকরা সাধারণত কম বেতনে কাজ করতে বাধ্য হয়, নিজেদের অধিকার নিয়ে দরকষাকষি করতে পারে না এবং অনেক সময় খারাপ ব্যবহারও সহ্য করতে বাধ্য হয়।

লায়লা খন্দকার আরও বলেন, ন্যূনতম বিবেকবোধ থাকলে বোঝা উচিত যে ১০ বছরের একটি শিশুকে কোনোভাবেই দায়িত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা উচিত নয়। তবে অনেক সময় সুবিধাবাদী মানসিকতা থেকে বিষয়টি দেখা হয়—ভাবা হয়, শিশুটি হয়তো গ্রামে না খেয়ে থাকবে, তাই তাকে বাসায় এনে উপকার করা হচ্ছে।

তার মতে, প্রকৃত অর্থে শিশুর কল্যাণ চাইলে তাকে পরিবারের কাছেই রাখা উচিত এবং তার খাবার, শিক্ষা ও মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

‘শিশুরাই সব’র আহ্বায়ক বলেন, একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত খাবার, ঘুম, ভালোবাসা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মানসিক উদ্দীপনা। কিন্তু শ্রমে নিয়োজিত, বিশেষ করে গৃহশ্রমে থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে এসব মৌলিক চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ হয় না।

তিনি বলেন, বরং এসব শিশু প্রায়ই গালিগালাজ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং অবহেলার শিকার হয়। এর ফলে তাদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক শিশু শিক্ষার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে এবং তাদের সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ ব্যাহত হয়।

তার মতে, একটি শিশুর জন্য এমন পরিবেশ কোনোভাবেই উপযুক্ত নয় এবং এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা ও কঠোর অবস্থান প্রয়োজন।

গৃহকর্মী ফোরামের অনুপমা বৈদ্য বলেন, বাসার কাজে ১৮ বছরের নিচে কাউকে নিয়োগ দেওয়া উচিত নয়। তার মতে, এই বয়সের শিশুরা কৈশোর বা বয়সন্ধিকাল পার করে, যেখানে তারা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। এ সময় অনেক কাজ তাদের জন্য স্বাভাবিকভাবে কষ্টকর মনে হতে পারে বা মানসিকভাবে চাপ তৈরি করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় শিশুদের দিয়ে গৃহকর্ম করালে তা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আইনে যা রয়েছে

বাংলাদেশের জাতীয় শ্রম আইন-২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৩৪ ধারায় শিশু ও কিশোর নিয়োগে বাধা-নিষেধ নিয়ে বলা হয়েছে – (১) কোনও পেশায় বা কারখানায় শিশুকে নিয়োগ করা যাবে না বা কাজ করতে দেওয়া যাবে না। 

(২) কোনও কিশোরকে কোনও পেশা বা কারখানায় নিয়োগ করা যাবে না বা কাজ করতে দেওয়া যাবে না, যদি না— 

(ক) ধারা ৩৭ এর অধীনে তার কাজের উপযুক্ততা সম্পর্কে কোনও রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত সক্ষমতা প্রত্যয়নপত্র মালিকের হেফাজতে থাকে এবং

(খ) কাজের সময় সে প্রত্যয়নপত্রের একটি উদ্ধৃতি সম্বলিত টোকেন বহন করে। 

একই আইনের ৩৫ ধারায় শিশু সংক্রান্ত চুক্তি বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনও শিশুর পিতা, মাতা বা অভিভাবক তাকে কাজে নিযুক্ত করার অনুমতি দিয়ে কারও সঙ্গে কোনও ধরনের চুক্তি করতে পারবেন না।

অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী অভিভাবক যদি লিখিত বা মৌখিকভাবে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুকে কোনও প্রতিষ্ঠানে কাজ দেওয়ার চুক্তি করেন, তবে তা আইনত অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং এটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

এছাড়া আইনের ৪১ ধারায় কিশোরদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, কোনও কিশোরকে কারখানা বা খনিতে দৈনিক ৫ ঘণ্টার বেশি এবং সাপ্তাহিক ৩০ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো যাবে না। অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ৭ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৪২ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো যাবে না। পাশাপাশি কোনও কিশোরকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনও প্রতিষ্ঠানে কাজ করানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

যদি কোনও কিশোর অতিরিক্ত সময় (ওভারটাইম) কাজ করে, তবে অতিরিক্ত সময়সহ তার মোট কর্মঘণ্টা কোনোভাবেই নির্ধারিত সীমার বেশি হতে পারবে না। কারখানা বা খনির ক্ষেত্রে কিশোর শ্রমিকের সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা ৩৬ ঘণ্টার বেশি হওয়া যাবে না। অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই সীমা হবে সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা।

এছাড়া, কোনও প্রতিষ্ঠানে কিশোরকে ওভারটাইম কাজ করানো হলে তাকে সাধারণ শ্রমিকের মতোই স্বাভাবিক মজুরির দ্বিগুণ হারে অতিরিক্ত কর্মসময়ের মজুরি দিতে হবে। একই সঙ্গে কোনও কিশোরকে এক দিনে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে দেওয়া যাবে না।





Source link

🔴 LIVE html