ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘বাঘের রাজধানী’ যে শহর, জানেন কি তার নাম?


October 18, 2026 8:15 am
Link Copied!


ওয়াইল্ডলাইফ সাফারি বা বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের মনে সবার আগে যে প্রাণীটির নাম ভেসে ওঠে, তা হলো বাঘ। বিখ্যাত সব জঙ্গল, সাফারি জোন এবং রাজকীয় এই বড় বিড়াল প্রজাতির প্রাণী দেখার সুযোগ পেতে সাধারণত পর্যটকরা নানা পরিকল্পনা করে থাকেন। এই সমস্ত অভিজ্ঞতার সূচনাবিন্দু হিসেবে কাজ করে ভারতের একটি বিশেষ শহর। চমৎকার বিমান ও ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি অনেক সুরক্ষিত বনের কাছাকাছি অবস্থিত এই শহরটি ভারতের ‘টাইগার ক্যাপিটাল’ বা বাঘের রাজধানী হিসেবে পরিচিত।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় শহরটি বহু সুরক্ষিত বনাঞ্চলের বেশ কাছাকাছি রয়েছে। এই শহরটির পাশেই রয়েছে পেঞ্চ, উমরেদ-কারহান্ডলা এবং তডোবা-আন্ধারির মতো রিজার্ভগুলো। এছাড়া দীর্ঘ ভ্রমণে আরও বেশ কিছু বন পরিদর্শন করা সম্ভব। প্রতিটি রিজার্ভ ভিন্ন ধরনের সাফারি অভিজ্ঞতা প্রদান করলেও বন্যপ্রাণী দেখার কোনও সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা থাকে না। বাঘ ছাড়াও এখানে দর্শনার্থীরা হরিণ, গৌর, চিতা, বুনো কুকুর এবং নানা ধরনের পাখি দেখতে পেতে পারেন।

বন্য প্রাণী দেখার পাশাপাশি নাগপুর ভ্রমণে যে সকল স্থান শহরটির ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে-

পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভ: নাগপুরের কাছে অবস্থিত পেঞ্চ তার বনের প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। এটি রুডইয়ার্ড কিপলিংয়ের ‘দ্য জঙ্গল বুক’ রচনার পেছনে অনুপ্রেরণা জোগানো বনের পরিবেশের সাথে জড়িত। এই রিজার্ভে জিপ সাফারির ব্যবস্থা রয়েছে এবং নাগপুর এখানে যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে।

উমরেদ-কারহান্ডলা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি: নাগপুর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অভয়ারণ্যটি বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের জন্য আরেকটি দুর্দান্ত বিকল্প। এটি স্থানীয় বাঘ, গৌর ও বুনো কুকুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির আবাসস্থল।

তডোবা-আন্ধারি টাইগার রিজার্ভ: নাগপুর থেকে কিছুটা দূরের পথ হলেও তডোবা মহারাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত টাইগার সাফারি গন্তব্য। এই রিজার্ভের বেশ কয়েকটি সাফারি গেট রয়েছে, তাই ভ্রমণকারীদের বুক করা এন্ট্রি পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে তাদের থাকা ও যাওয়ার পরিকল্পনা করা উচিত।

দীক্ষাভূমি: নাগপুর শহরের ভেতরের এই গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ স্মারকটি ১৯৫৬ সালে ড. বি আর আম্বেদকরের বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষ নেওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত। এটি শহরের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক ভিন্ন মাত্রা তুলে ধরে।

জিরো মাইল স্টোন: ভারতের কেন্দ্রের কাছাকাছি নাগপুরের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে জড়িত এই ল্যান্ডমার্কটি শহর ঘুরে দেখার সময় দ্রুত ঘুরে নেওয়ার মতো একটি স্থান।

টাইগার সাফারির জন্য সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়টি সবচেয়ে উপযোগী। এই সময়ে জলাশয়গুলো শুকাতে শুরু করায় বন্যপ্রাণীদের সেগুলোর আশপাশে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে মনে রাখতে হবে যে এই অঞ্চলের গ্রীষ্মকাল বেশ উষ্ণ হতে পারে এবং এরপরেও বন্যপ্রাণী দেখার কোনও শতভাগ নিশ্চয়তা নেই। প্রতিটি রিজার্ভের সাফারি সময় ও টিকিটের প্রাপ্যতা ভিন্ন হয়ে থাকে, তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে অফিসিয়াল বুকিং ওয়েবসাইটগুলো যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সূত্র: এনডিটিভি





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html